পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) হায়দার আলির ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)-এ খেলার পথ প্রশস্ত হয়েছে এই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের জন্য।
পিসিবি হায়দার আলির সাথে মোহাম্মদ নাওয়াজ, আবরার আহমেদ, সাহিবজাদা ফারহান, ফাহিম আশরাফ, হুসাইন তালাত, খাওয়াজা নাফি ও ইহসানউল্লাহর নাম বিপিএলে খেলার অনুমতি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।
গত অগাস্টে এক নারীর ধর্ষণের অভিযোগে হায়দার আলির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে পিসিবি।
পাকিস্তান শাহিন্সের হয়ে গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ড সফরে যান হায়দার। সেখানে ২৩ জুলাই ম্যানচেস্টারে ওই নারীর সঙ্গে দেখা হয় হায়দারের। সেদিনই ম্যানচেস্টারের একটি হোটেলে নির্যাতনের শিকার হন বলে ৪ অগাস্ট পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই নারী।
ওই দিনই হায়দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে দ্রুতই জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। তদন্তে সহয়তার জন্য ইংল্যান্ডেই তখন থাকতে হয় তাকে।
প্রায় এক মাস তদন্তের পর গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ ও যুক্তরাজ্যের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস জানিয়েছিলেন, মামলার কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। হায়দারকে পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
গত অগাস্টে পেশাদার ক্রিকেটে সবশেষ ম্যাচ খেলা হায়দারকে এবারের বিপিএল নিলাম থেকে দলে নিয়েছে নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এর আগেও দুইবার বিপিএলে খেলছেন এই ক্রিকেটার। ২০২২-২৩ মৌসুমে ফরচুন বরিশালের হয়ে একটি এবং গত আসরে চট্টগ্রাম কিংসের জার্সিতে ১২ ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি।
বিপিএলে খুব একটা ভালো করতে পারেননি হায়দার। নেই কোনো ফিফটি, ২৬.৬২ গড়ে রান করতে পেরেছেন কেবল ২১৩। স্বীকৃতি টি-টোয়েন্টিতে ১৬৪ ম্যাচ খেলে ১৭ ফিফটিতে তিন হাজার ১৪১ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান, স্ট্রাইক রেট ১২৯.৩৫, গড় ২৩.৬১।
পাকিস্তানের হয়ে দুটি ওয়ানডে ও ৩৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন হায়দার। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে খেলে গেছেন ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপে।



