মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশের পোশাক পরে দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারের ছলে তাদের বাস থেকে নামিয়ে ১৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের মামলায় পুলিশ এক এসআইসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন এসআই আকতারুজ্জামান মুন্সী, মাইক্রোবাস চালক জাকির হোসেন, সাংবাদিক রমজান, রমজান আলী নামে আরকেজন ও গয়নার দোকানের মালিক ইসমাইল হোসেন। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৯৫ ভরি স্বর্ণালংকার, সাড়ে ১৩ লাখ টাকা ও তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, পুলিশের ইউনিফর্ম, হ্যান্ডকাফ ও ওয়াকিটকি জব্দ করেছে পুলিশ।
গত ৭ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাসে পুলিশ পোশাক পরে কয়েকজন এসে গয়নার ব্যবসায়ী দুই ভাইকে হাতকড়া পরান। বাস থেকে নামিয়ে তাদের মাইক্রোবাসে তোলা হয়। এরপর তাদের সঙ্গে থাকা ১৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, দুইটি এটিএম কার্ড ও একটি এনআইডি নিয়ে নেয় ডাকাতরা।
এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে মুন্সীগঞ্জের ডিবি পুলিশ তদন্তে নামে। একপর্যায়ে ঢাকার কাফরুল থেকে মাইক্রোবাস চালক জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এসআই আকতারুজ্জামান মুন্সীকে।
পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, ডাকাতদের মধ্যে একজন মিরপুরের একটি গয়নার দোকানে স্বর্ণালংকার বেঁচে দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরে পরে দোকানের মালিক ইসমাইলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
পলাতক আরও একজন গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাকি স্বর্ণালংকার উদ্ধারেও পুলিশের অভিযান চলছে।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা চাইছেন পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
এই ঘটনা মুন্সীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে দিয়েছে। পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, পুলিশ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে পুলিশ এলাকার নজরদারি বাড়িয়েছে। পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, পুলিশ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এই ঘটনা মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দাদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেছে। তারা চাইছেন পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নেবে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করবে।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে।
এই ঘটনা মুন্সীগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে দিয়েছে। পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানিয়েছেন, পুলিশ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এই ঘটনার



