প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জুলাই জাতীয় সনদের গণভোট নিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রচার চালানোর নির্দেশনা দিয়ে পিছপা হয়েছে। বুধবার মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাঠানো নির্দেশনাটি ‘ভুল করে জারি হয়েছিল’ দাবি করে অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার উপপরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেছেন, সেটি বাতিল করা হবে।
গণভোট নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রচার চালাতে সরকারের পক্ষে থেকে এখনও সিদ্ধান্ত আসেনি মন্তব্য করে একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে তখন আবার মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সে অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হবে।”
বুধবার অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাঠানো এক নির্দেশনায় ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ব্যানার টানিয়ে গণভোটের প্রচার’ এবং ‘গণভোটের ধারণা ও সাংবিধানিক ভিত্তি সম্পর্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবহিতকরণসহ’ ১৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রাথমিক শিক্ষার রংপুরের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আজিজুর রহমান এবং চট্টগ্রামের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আতাউর রহমান ওই নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি বুধবার রাতে নিশ্চিত করেছেন।
রংপুরের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আজিজুর রহমান বলেছেন, “গণভোটের প্রচার চালানোর একটি নির্দেশনা পেয়েছি, সেটি ডকেটভুক্ত করা হয়েছে। সব শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যার যার ক্ষেত্রে গণভোট নিয়ে প্রচার চালাতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়।”
চট্টগ্রামের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আতাউর রহমান বলেছেন, “গণভোটের প্রচার চালাতে অধিদপ্তর যে নির্দেশনা দিয়েছে, সেটি পেয়েছি।”
এই নির্দেশনার বিষয়ে অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার পরিচালক মো. মাসুদ হোসেনের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি।
জুলাই জাতীয় সনদের মূল তথ্য ও কাঠামো সম্পর্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানানো হবে। নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানানো হবে। সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষতা বিধি মেনে চলা হবে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: গণভোটের প্রচার চালানোর জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কীভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়? গণভোটের ধারণা ও সাংবিধানিক ভিত্তি সম্পর্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কীভাবে অবহিত করা হবে?



