বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুন দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একযোগে একটি বিবৃতি উচ্চারিত হয়েছিল। এই ঘটনাটি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল। শুধু জানাজা বাকি ছিল, যা ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মামুনুল হক বলেন, পশ্চিম পাকিস্তানের শাসনামলে বাঙালির ওপর দীর্ঘদিন বৈষম্য ও নির্যাতন চালানো হয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলার মানুষ সেই শোষকদের বিদায় দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণে সেই বিজয়ের সুফল পুরোপুরি ঘরে তোলা সম্ভব হয়নি।
গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি আতিকুল ইসলাম শেখ। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ খান।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই আগ্রহী। কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, এই ঘটনার পর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যত সম্পর্কে অনেক কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মতামত ব্যক্ত করা এখনও সম্ভব নয়।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা নিয়ে সবাই অপেক্ষায় রয়েছে। কিছু রাজনৈতিক দল এই ঘটনাকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা এখনও অনিশ্চিত।



