রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চীন রাশিয়ার সাথে সামরিক-শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়াতে যাচ্ছে।
জেলেনস্কি সামাজিক মিডিয়ায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেছেন, রাশিয়ার পররাষ্ট্র গোয়েন্দা প্রধানের একটি প্রতিবেদন থেকে এটা জানা যায় যে, রাশিয়া চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের উপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেছেন, চীন ও রাশিয়া সামরিক-শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। জেলেনস্কি ইউক্রেনের পররাষ্ট্র গোয়েন্দা সেবাকে এই সহযোগিতা সম্পর্কে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
জেলেনস্কি বলেছেন, বিশ্ব নিরাপত্তা রাশিয়ার আক্রমণাত্মক মনোভাবের কারণে ক্ষুণ্ন হচ্ছে না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, রাশিয়ার কিছু অংশে চীনের প্রভাব বাড়ছে। এটি মূলত সম্পদশালী ভূমি ব্যবহার ও মূল্যবান সম্পদ চীনের কাছে বিক্রির মাধ্যমে হচ্ছে।
রাশিয়া ইউক্রেনে সংঘর্ষের পর থেকে চীনের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়েছে। চীন এই সংঘাতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দাবি করেছে, তবে রাশিয়ার উপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমাতে চীনের সাহায্য নিচ্ছে।
সেপ্টেম্বরে, চীন ও রাশিয়ার নেতারা একটি নতুন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার রূপরেখা দিয়েছেন। গত মাসে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে এক বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বাড়ানোর ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করার অঙ্গীকার করেছেন।
এই সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। রাশিয়া ও চীনের মধ্যে এই সহযোগিতা বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি হবে। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার আক্রমণাত্মক মনোভাব বিশ্ব নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ফলে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্ব রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। র



