দীপাবলি উৎসবকে মানবজাতির অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি নয়াদিল্লির লালকেল্লায় চলমান ইউনেস্কোর আন্তঃসরকারি কমিটির বৈঠকে নেওয়া হয়।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, দীপাবলি হলো আলোর উৎসব। এটি সত্যের বিজয়, অজ্ঞতার উপর জ্ঞানের জয়, আর হতাশার উপর আশার জয়কে তুলে ধরে। এই মূল্যবোধ ও গুণাবলি জাতি, সংস্কৃতি বা ধর্মের গণ্ডি ছাড়িয়ে মানবতার সাধারণ সম্পদে পরিণত হয়েছে।
ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত ‘বিশ্বব্যাপী দীপাবলি’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানটি ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্তঃসম্পর্কের কথা তুলে ধরে প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশেও দীপাবলি ব্যাপকভাবে পালিত হয়। কালীপূজার পাশাপাশি এটি শ্যামা পূজা বা দীপানিতা মহোৎসব নামেও পরিচিত। এসব অভিন্ন ঐতিহ্য দুই দেশের দীর্ঘকালীন ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত বন্ধনের প্রতিফলন।
দীপাবলি উৎসবকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহযোগিতার জন্য একটি নতুন দিক খুলে দেবে।
ইউনেস্কোর এই সিদ্ধান্তটি বিশ্বব্যাপী দীপাবলি উৎসবকে আরও বেশি পরিচিতি দেবে। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীপাবলি উৎসবের প্রচার ও প্রসারে সহায়ক হবে।
দীপাবলি উৎসবকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহযোগিতার জন্য একটি নতুন দিক খুলে দেবে।
প্রণয় ভার্মা বলেছেন, দীপাবলি উৎসবকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহযোগিতার জন্য একটি নতুন দিক খুলে দেবে।
দীপাবলি উৎসবকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহযোগিতার জন্য একটি নতুন দিক খুলে দেবে।



