বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং ক্লাবগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। বিসিবি সহসভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, ক্লাব ক্রিকেট না হলেও টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।
বিসিবি এবং ক্লাবগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্বের শুরু হয়েছে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ছিলেন ‘বিদ্রোহী’ পক্ষটির নেতৃত্বে। তবে পরে তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
বিসিবি জানিয়েছে, ক্লাব ক্রিকেট না হলে তারা বিকল্প টুর্নামেন্ট করবে। ফারুক আহমেদ বলেছেন, ‘ক্রিকেট মাঠে খেলাটা আপনারা চালিয়ে যেতে দিয়েন। বারবার বলছি, (খেলা না থাকলে) ক্ষতিটা হবে শুধু ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের।’
বিসিবি সিসিডিএমের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, কোনো ক্লাব না এলে নিয়ম অনুযায়ী অবনমিত হয়ে যাবে। বিসিবি আগামীকাল সূচি ঘোষণার কথা রয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, খেলতে না এলে বাইলজ ও প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে নভেম্বরের শুরুতে বিসিবির দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন মৌসুমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেটে কোনো দল লিগে অংশ না নিলে বা লিগ চলাকালে মাঝপথে সরে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে দলটিকে লিগে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
বিসিবি এবং ক্লাবগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্রিকেট প্রেমীরা আশা করছেন, বিসিবি এবং ক্লাবগুলো দ্রুত একমত হবে এবং ক্লাব ক্রিকেট শুরু হবে।
বিসিবি সহসভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, বিসিবি ক্লাব ক্রিকেটের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে ক্লাবগুলোকে খেলতে হবে বিসিবির নিয়ম অনুযায়ী।
বিসিবি এবং ক্লাবগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। ক্রিকেট প্রেমীরা আশা করছেন, বিসিবি এবং ক্লাবগুলো দ্রুত একমত হবে এবং ক্লাব ক্রিকেট শুরু হবে।



