বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইসিডিএ) তাদের আগের সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছে যেখানে তারা এক মাসের জন্য রপ্তানি ও খালি কন্টেইনার পরিচালনা বন্ধ করার কথা বলেছিল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) চেয়ারম্যানের সাথে এক ফলপ্রসূ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিআইসিডিএর সিদ্ধান্তের কারণ ছিল যে তারা তাদের খরচ মেটাতে পারছে না কারণ প্রস্তাবিত চার্জ বৃদ্ধি এখনও কার্যকর হয়নি। এই সিদ্ধান্তের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
সিপিএ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বিআইসিডিএর নেতাদের সাথে এক জরুরি বৈঠক করেছেন এবং তাদের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার অনুরোধ করেছেন। বিআইসিডিএর নেতারা এই অনুরোধে রাজি হয়েছেন।
বিআইসিডিএর সভাপতি খলিলুর রহমান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমরান ফহিম নূর, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, বেনজির নিসান এবং সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল আমিন সিকদার এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন।
বিআইসিডিএ জুলাই মাসে রপ্তানি কার্গো এবং খালি কন্টেইনার পরিচালনার চার্জ ৬০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বন্দর ব্যবহারকারীরা প্রতিবাদ করেছেন এবং বাড়তি চার্জ দিতে অস্বীকার করেছেন।
এই বিষয়ে বিভিন্ন মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বিআইসিডিএ তাদের ক্লায়েন্টদের জানিয়েছে যে তারা ১১ ডিসেম্বর থেকে রপ্তানি ও খালি কন্টেইনার পরিচালনা বন্ধ করবে।
বিআইসিডিএ এই সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত এড়ানো সম্ভব হবে।
বিআইসিডিএর সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার ফলে বন্দর ব্যবহারকারীদের উপর যে চাপ তৈরি হয়েছিল তা কমে যাবে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বিআইসিডিএ এবং সিপিএর মধ্যে আরও আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই আলোচনার ফলে একটি সমাধান বের হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের উন্নয়নে চট্টগ্রাম বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বন্দরের মাধ্যমে দেশের বেশিরভাগ রপ্তানি সংঘটিত হয়। তাই, এই বন্দরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলতে হলে রপ্তানি খাতের উন্নয়ন সম্ভব হবে।
বিআইসিডিএ এবং সিপিএর মধ্যে সমঝোতা হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়াও, এই সমঝোতার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলবে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রপ্তানি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, এই খাতের উন্নয়নের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করতে হবে।
বিআইসিডিএ এবং সিপিএর মধ্যে সমঝোতা হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এছাড়াও, এই সমঝোতার ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের উন্নয়নে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, এই বন্দরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলতে হলে রপ্তানি খাতের উন্নয়ন স



