বাংলাদেশ সরকার দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে চারটি দেশে ১৫৯ জনের বেশি জুলাই যোদ্ধার চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এক সেমিনারে এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগটি দেশের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন ও বন্ধুসুলভ দেশগুলোর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত চাহিদার অংশ হিসেবে কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ও কূটনীতির সংযোগস্থলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাংলাদেশ মহামারি চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা, অসংক্রামক রোগবিষয়ক আন্তর্জাতিক ফোরাম এবং স্বাস্থ্য জনবল উন্নয়ন ও হাসপাতাল অবকাঠামো সংক্রান্ত অংশীদারিত্বে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে বলে তিনি জানান। কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মহামারি স্বাস্থ্য কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে কাজ করেছে।
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প প্রায় ১৫০টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে বলে তিনি জানান। আইসিডিডিআর,বি’র গবেষণার আন্তর্জাতিক প্রভাব রয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত মুখে খাওয়ার কলেরা টিকা এবং আফ্রিকায় শান্তিরক্ষী মিশনে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের মতো বৃহৎ মানবিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মনোযোগ কমে গেলে তা আঞ্চলিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
বাংলাদেশকে স্বাস্থ্যের জন্য পররাষ্ট্রনীতি এবং পররাষ্ট্রনীতির জন্য স্বাস্থ্য এই দুটি দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে বলে তিনি জানান।
বৈশ্বিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে স্বাস্থ্য খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।
স্বাস্থ্য খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশকে আরও প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তিনি আশাবাদী।
বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগ জুলাই যোদ্ধাদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারকে স্বাস্থ্য খাতে আরও বিনিয়োগ করতে হবে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমরা আশাবাদী।
বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারকে স্বাস্থ্য খাতে আরও বিনিয়োগ করতে হবে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমরা আশাবাদী।
বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করবে বলে আ



