গৃহযুদ্ধ পরামর্শক লেফটেনেন্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, মাদকাসক্ত বন্দীদের জন্য একটি আলাদা বিশেষ কারাগার নির্মাণ করা হবে। সেখানে তাদের জন্য জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থা করা হবে।
নরসিংদী জেলা কারাগার পরিদর্শনের পর তিনি একটি সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। তিনি জানিয়েছেন, কারাগারে বন্দীদের মধ্যে অধিকাংশই মাদকাসক্ত। তিনি বলেন, মাদকের কোনো উপকারিতা নেই। মাদকের বিপদ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, কারাগারে বন্দীদের খাবারের মান আগের তুলনায় ভালো হয়েছে। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় প্রায়ই হত্যা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে অপরাধীরা মুক্তভাবে অপরাধ করছে, যার মধ্যে হত্যাও রয়েছে। এছাড়াও সেখানে অস্ত্রের বড় একটি জমা রয়েছে।
গৃহযুদ্ধ পরামর্শক জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, রয়েল একশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সহ অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে একটি অভিযান শুরু করা হবে এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে। তিনি আরও জানিয়েছেন, জেলাখানা থেকে জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া অস্ত্র লুটের ঘটনায় একটি বড় অভিযান চালানো হবে। জেলাখানা থেকে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র চুরি হয়েছে, এবং এটা অস্বীকার করা সম্ভব নয়।
এর আগে, গৃহযুদ্ধ পরামর্শক জেলা পুলিশ লাইনসের প্রাঙ্গণে একটি গাছ লাগান এবং পুলিশ লাইনস হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। সেখানে নরসিংদীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুক সহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায় অপরাধের হার বেশি। সেখানে প্রায়ই হত্যা, সংঘর্ষ ও অন্যান্য অপরাধের ঘটনা ঘটে। এসব অপরাধ দমনে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। গৃহযুদ্ধ পরামর্শকের ঘোষণা অনুযায়ী, মাদকাসক্ত বন্দীদের জন্য বিশেষ কারাগার নির্মাণ করা হবে। এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
মাদকাসক্তি বাংলাদেশের একটি বড় সমস্যা। এটি সমাজের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকাসক্তি দমনে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাদকাসক্ত বন্দীদের জন্য বিশেষ কারাগার নির্মাণ করা হলে তাদের পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে। এটি সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হবে।



