ভারতের বৃহত্তম এয়ারলাইন ইন্ডিগোকে তার শীতকালীন সময়সূচীর ১০% ফ্লাইট কমাতে নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার। এটি এয়ারলাইনটিকে প্রতিদিন ২০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য করবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইন্ডিগোর যাত্রীদের ভ্রমণে ব্যাঘাত ঘটবে।
ইন্ডিগো সম্প্রতি তার অপারেশনগুলিকে ‘স্বাভাবিক’ করেছে বলে জানিয়েছে। তবে, গত সপ্তাহে এয়ারলাইনটি ৩,০০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এই সমস্যার কারণ হিসেবে পাইলট রোস্টার পরিকল্পনার অভাবকে দায়ী করা হয়েছে।
ভারতের ফেডারেল এভিয়েশন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু বলেছেন, ইন্ডিগোর রুটগুলি সীমিত করা প্রয়োজনীয়। তিনি আরও বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে ইন্ডিগো তার সমস্ত গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। এয়ারলাইনটিকে তার সংশোধিত ফ্লাইট সময়সূচী বুধবারের মধ্যে নিয়ন্ত্রককে জমা দিতে হবে।
ইন্ডিগো প্রতিদিন ২,২০০টিরও বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করে এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে ৬০% এরও বেশি শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করে। অভিজ্ঞরা বলছেন, ইন্ডিগোর দৈনিক ক্ষমতা ১০% কমিয়ে দেওয়ার ফলে ভারতের বিমান চলাচল সংকট আরও বাড়তে পারে। অন্যান্য এয়ারলাইনগুলির কাছে অতিরিক্ত যাত্রীদের পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষমতা নেই।
ইন্ডিগোর শেয়ারের দাম ১ ডিসেম্বর থেকে ১৫% কমেছে। বিনিয়োগকারীরা অপারেশনাল ব্যাঘাত এবং নতুন নিয়মের কারণে বেড়ে যাওয়া খরচের কারণে উদ্বিগ্ন। এয়ারলাইনটিকে টিকিটের দাম সীমিত করতে, অভ্যন্তরীণ রিফান্ড দিতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের ব্যাগেজ দ্রুত পৌঁছে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবার্সকে মঙ্গলবার এভিয়েশন মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে সংকট সমাধান এবং যাত্রীদের অভিযোগ নিয়ে ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। তিনি একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এয়ারলাইনটি তার অপারেশনগুলিকে ‘সম্পূর্ণরূপে স্থিতিশীল’ করেছে। অভিজ্ঞরা বলছেন, ইন্ডিগোর এই সংকটের ফলে ভবিষ্যতে আরও জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ভারতের বিমান চলাচল খাতে এই সংকটের ফলে যাত্রীদের ভ্রমণে ব্যাঘাত ঘটবে। এয়ারলাইনগুলিকে তাদের অপারেশনগুলিকে স্বাভাবিক করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারকেও এই সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সংকটের ফলে ভারতের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। সরকার এবং এয়ারলাইনগুলিকে একসাথে কাজ করে এই সংকট সমাধান করতে হবে।
ইন্ডিগোর সংকটের ফলে ভারতের বিমান চলাচল খাতে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এয়ারলাইনগুলিকে তাদের অপারেশনগুলিকে স্বাভাবিক করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারকেও এই সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সংকটের ফলে ভারতের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। সরকার এবং এয়ারলাইনগুলিকে একসাথে কাজ করে এই সংকট সমাধান করতে হবে। এই সংকটের ফলে ভারতের বিমান চলাচল খাতে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এয়ারলাইনগুলিকে তাদের অপারেশনগুলিকে স্বাভাবিক করার জন্য পদক্ষেপ নিতে



