ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আমাজন ও মাইক্রোসফ্ট উভয় প্রতিষ্ঠানই একটি বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। আমাজন ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে ৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, যার মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ডিজিটালাইজেশন, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অন্তর্ভুক্ত।
মাইক্রোসফ্টও ভারতে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, যার লক্ষ্য দেশটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাজারকে শক্তিশালী করা। ভারত বর্তমানে একটি উদীয়মান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ক্লাউড অবকাঠামো কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
গত অক্টোবরে, গুগল ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ডেটা হাব নির্মাণের জন্য। এছাড়াও, ইন্টেল মুম্বাইয়ের টাটা ইলেকট্রনিক্সের সাথে একটি সহযোগিতা গঠন করেছে, যার লক্ষ্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের সেমিকন্ডাক্টর উত্পাদন পরিকল্পনা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি মাইক্রোসফ্টের সিইও সত্য নাদেলার সাথে এক বৈঠকের পর একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে বিশ্ব ভারতের প্রতি আশাবাদী।’
আমাজনের এই ৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ভারতে ইতিমধ্যে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের উপর করা হবে, যা কোম্পানিকে ভারতে বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
মাইক্রোসফ্টের নতুন প্রতিশ্রুতি এই বছরের শুরুতে ঘোষিত ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরে এসেছে। এই বিনিয়োগের মধ্যে দক্ষিণ ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরে একটি নতুন ‘হাইপারস্কেল ক্লাউড অঞ্চল’ স্থাপন করা হবে, যা ২০২৬ সালের মধ্যভাগে চালু হবে।
ভারত এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ক্লাউড অবকাঠামো খাতে বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। এই বিনিয়োগগুলি ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে এই বিনিয়োগগুলি দেশটির প্রযুক্তি খাতের বিকাশে সহায়ক হবে। এছাড়াও, এই বিনিয়োগগুলি ভারতের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও অবদান রাখবে।
ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে এই বিনিয়োগগুলি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই বিনিয়োগগুলি ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং দেশটির প্রযুক্তি খাতের বিকাশে অবদান রাখবে।
ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে এই বিনিয়োগগুলি দেশটির অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বিনিয়োগগুলি ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং দেশটির প্রযুক্তি খাতের বিকাশে অবদান রাখবে।
ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে এই বিনিয়োগগুলি দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই বিনিয়োগগুলি ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং দেশটির প্রযুক্তি খাতের বিকাশে অবদান রাখবে।
ভার



