ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করে মাছ ধরতে গিয়ে ৬ জন বাংলাদেশি জেলেকে ভারতীয় বাহিনী আটক করেছিল। তারা ১৩ মাস ধরে ভারতে আটক ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ছয় জন জেলে ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর মাছ ধরতে গিয়ে ভুল করে বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। এ সময় ভারতীয় বাহিনী তাদের আটক করে। পরে অনুপ্রবেশের দায়ে আদালতের রায়ে তারা ১৩ মাস ভারতে সাজা ভোগ করেন।
সাজার মেয়াদ শেষ হলে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তারই প্রেক্ষিতে নাগরিকত্ব যাচাই বাছাই শেষে তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ি নাকুগাঁও স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তর করা জেলেরা হলেন কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পূর্ব মুদাখানা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল, একই উপজেলার বেপারীপাড়া গ্রামের বাহাদুরের ছেলে বিপ্লব মিয়া, ফকির আলীর ছেলে আমের আলী, নতুন বেপারীপাড়া গ্রামের ইছাহাক আলীর দুই ছেলে মীর জাহান ও বকুল মিয়া এবং রৌমারী উপজেলার বকবাদা বেপারীপাড়া গ্রামের ছলিম উদ্দিন বেপারীর ছেলে চাঁন মিয়া।
পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন ৩৯ বিজিবির কোয়ার্টার মাস্টার মিজানুর রহমান, হাতিপাগার বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার এবং নালিতাবাড়ি থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামানসহ অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন। আর ভারতীয় পক্ষের নেতৃত্ব দেন মেঘালয় রাজ্যের তুরা বিএসএফ ক্যাম্পের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার সাখাওয়াত হোসেন।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে ছয় জেলেকে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আহত অবস্থায় ফিরেছেন। তাদের স্বজনরা তাদের ফিরে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তারা সবাই খুব খুশি যে তাদের প্রিয়জনরা ফিরে এসেছেন।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। উভয় দেশের সরকার এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। এছাড়াও, তারা সীমান্ত এলাকায় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। উভয় দেশের সরকার এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য একসাথে কাজ করছে। তারা সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশি জেলেদের জন্য একটি সতর্ক বার্তা। তারা সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা অবলম্বন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তারা সীমান্ত এলাকায় মাছ ধরার সময় সতর্ক থাকবে এবং ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করবে না বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উপর একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। উভয় দেশের সরকার এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য একসাথে



