বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের জন্য কাঁচা তুলার সরবরাহে ভারতের আধিপত্য শেষ হয়েছে। ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে ব্রাজিল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তুলা সরবরাহকারী দেশ হয়ে উঠেছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে ৮.২৮ মিলিয়ন বেল তুলা আমদানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫.২% বেশি।
ব্রাজিল এই সময়ে ১.৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা বাংলাদেশের মোট তুলা আমদানির ২৫%। অন্যদিকে, ভারত ১.৪ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা ১৫% বাজার অংশীদারিত্ব। এক বছর আগে, ভারত ২৩% বাজার শেয়ার নিয়ে শীর্ষে ছিল।
বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশ্বে প্রস্তুত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এই খাত দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০% এর বেশি এবং জিডিপির প্রায় ১০% জোগান দেয়।
বাংলাদেশের তুলা আমদানির এই পরিবর্তন ঘটেছে এমন এক সময়, যখন শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয় এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনের ফলে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের তুলা আমদানির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে, ব্রাজিল এখন দেশের সবচেয়ে বড় তুলা সরবরাহকারী দেশ। এই পরিবর্তন বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, এই পরিবর্তনের ফলে দেশের অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে তা এখনও অস্পষ্ট।
বাংলাদেশের তুলা আমদানির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মার্কিন কৃষি বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে দেশের কাঁচা তুলা আমদানি ১.৪% বাড়বে। এই বছরে বাংলাদেশ ৮.৪ মিলিয়ন বেল তুলা আমদানি করবে, যা ২০২৩-২৪ সালের তুলনায় ৫.২% বেশি।
বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের জন্য কাঁচা তুলার সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিতে এই শিল্পের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের তুলা আমদানির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে, ব্রাজিল এখন দেশের সবচেয়ে বড় তুলা সরবরাহকারী দেশ। এই পরিবর্তন বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।



