মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে ভোক্তা মূল্যস্তর কমছে। পেনসিলভেনিয়া রাজ্যের একটি ক্যাসিনোতে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে তিনি তার সমর্থকদের বলেছেন যে তার সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হল আমেরিকাকে আবার সাশ্রয়ী করে তোলা।
তিনি বলেছেন, গ্যাস এবং ডিমের দাম কমেছে, কিন্তু অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়েছে। আমেরিকানরা এখনও বাসস্থান, শিশুদের যত্ন এবং স্বাস্থ্যসেবা খরচ নিয়ে উদ্বিগ্ন। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের অর্থনৈতিক দুর্বলতা নিয়ে সাম্প্রতিক নির্বাচনে সুবিধা নিয়েছে, যা রিপাবলিকানদের মধ্যে অস্বস্তির কারণ হয়েছে।
পেনসিলভেনিয়ার একটি সুইং জেলায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটি হল হোয়াইট হাউসের দাবি করা একটি সিরিজ প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানের প্রথম, যার লক্ষ্য ভোটারদের কাছে অর্থনৈতিক বার্তা পৌঁছানো। তিনি তার বক্তৃতায় আবারও খরচ সংক্রান্ত উদ্বেগকে ডেমোক্র্যাটদের একটি “প্রতারণা” হিসেবে চিত্রিত করেছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে, তার প্রশাসন কয়েক ডজন খাদ্য পণ্য থেকে শুল্ক সরিয়ে দিয়েছে এবং জ্বালানি দক্ষতা মান পিছনে নিয়ে যাওয়া এবং শিশুদের জন্য ট্রাম্প-ব্র্যান্ডেড অবসর অ্যাকাউন্ট চালু করার মাধ্যমে খরচ জীবনযাত্রার সমাধান হিসেবে তুলে ধরেছে। একটি সাক্ষাৎকারের একটি অংশে, ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি অর্থনীতির জন্য কী গ্রেড দেবেন। তিনি উত্তর দিয়েছেন, “একটি প্লাস-প্লাস-প্লাস-প্লাস-প্লাস”।
একটি নতুন রাইটার্স/আইপসোস জরিপে দেখা গেছে যে ট্রাম্পের অনুমোদন রেটিং তিন শতাংশ বেড়েছে, যা এখন ৪১%। কিন্তু অনেক আমেরিকান এখনও অর্থনীতি নিয়ে নিরাশ। অকলাহোমা সিটির একজন ৩৭ বছর বয়সী নারী তার চাকরি হারিয়েছেন, যা ট্রাম্পের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্কের কারণে হয়েছে। তিনি বলেছেন, খাদ্য বিল বেড়ে যাওয়ায় তার পরিবারের জন্য চলতে কঠিন হয়ে পড়েছে।
ট্রাম্পের এই অবস্থান পরবর্তী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার দলের জন্য কী ধরনের প্রভাব ফেলবে তা দেখা যাবে। কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত, অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের বার্তা আমেরিকানদের মন জয় করতে সক্ষম হবে কিনা তা এখনও অনিশ্চিত।
অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের বক্তৃতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা পরবর্তী নির্বাচনে তার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু আমেরিকানরা এখনও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন, যা ট্রাম্পের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা সমালোচনা করছে, যা তাদের দলের জন্য সুবিধা হতে পারে। কিন্তু ট্রাম্পের সমর্থকরা তার নীতির পক্ষে কথা বলছে, যা তার দলের জন্য সহায়ক হতে পারে। অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের বার্তা আমেরিকানদের মন জয় করতে সক্ষম হবে কিনা তা দেখা যাবে।
পরবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের জন্য অর্থনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। কিন্তু আমেরিকানরা এখনও অর্থনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন, যা ট্রাম্পের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পার



