শরীয়তপুর সরকারি কলেজের এক ছাত্রী পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এই ঘটনাটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের বনবিভাগ কার্যালয়ের পাশের নির্জন এলাকায় ঘটেছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে সহপাঠীর সঙ্গে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। একসময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জোরপূর্বক বনবিভাগের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে সহপাঠীকে মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়, আর তাকে তিন যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক খন্দকার রাশেদ আহম্মেদ বলেন, মেয়েটি শারীরিক নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
এ ব্যাপারে পালং মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক হাফিজুর রহমান বলেন, মেয়েটি অসুস্থ হওয়ার এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কথা বলতে পারিনি। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। তাদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, তিনি বাসায় ফিরছিলেন। হঠাৎ দেখেন কয়েকজন ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে বনবিভাগের দিক থেকে আসছে। এলাকাটি নির্জন হওয়ায় মেয়েটিকে প্রশ্ন করলে সে উত্তর দিতে ভয় পাচ্ছিল। পরে তার সঙ্গে থাকা একটি ছেলে তাকে ইশারা করলে তাদের সমস্যায় পড়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
পুলিশ এই ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ ক্ষুব্ধ। তারা দাবি করছেন দ্রুত বিচার করা হোক।
এই ঘটনাটি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে।



