কক্সবাজার শহরের বাইপাস উত্তরণ এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা যুবদলের দুই নেতাকে গুলি করেছে। এই ঘটনায় দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতারা হলেন লারপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ফারুক। তারা উভয়ই কক্সবাজার পৌর যুবদলের সক্রিয় সদস্য।
কক্সবাজার পৌর যুবদলের সভাপতি আজিজুল হক সোহেল জানিয়েছেন, সাইফুল ও ফারুক দুজনই যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
লারপাড়ার স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সাইফুলের আপন ভাই সাইদুল ও চাচাতো ভাই কায়সারকে ব্যাডমিন্টন খেলায় বাকবিতণ্ডার জেরে হত্যা করা হয়েছিল।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন গুলির ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় আহত যুবদল নেতাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
কক্সবাজারে এই ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই ঘটনার বিচার দাবি করছে স্থানীয় জনগণ। তারা চাইছে দোষীদের শাস্তি হোক।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আহত যুবদল নেতাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
কক্সবাজারে এই ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই ঘটনার বিচার দাবি করছে স্থানীয় জনগণ। তারা চাইছে দোষীদের শাস্তি হোক।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আহত যুবদল নেতাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
কক্সবাজারে এই ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই ঘটনার বিচার দাবি করছে স্থানীয় জনগণ। তারা চাইছে দোষীদের শাস্তি হোক।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আহত যুবদল নেতাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
কক্সবাজারে এই ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই ঘটনার বিচার দাবি করছে স্থানীয় জনগণ। তারা চাইছে দোষীদের শাস্তি হোক।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আহত যুবদল নেতাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
কক্সবাজারে এই ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই ঘটনার বিচার দাবি করছে স্থানীয় জনগণ। তারা চাইছে দোষীদের শাস্তি হোক।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
এই ঘটনায় আহত যুবদল নেতাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
কক্সবাজারে এই ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজমান। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে।
এই ঘটনার বিচার দাবি করছে



