দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান রাশিয়া ও চীনের যৌথ বিমান প্যাট্রোলের প্রতিক্রিয়ায় তাদের যোদ্ধা বিমান উড়িয়েছে। রাশিয়া ও চীনের সামরিক বিমানগুলি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের কাছাকাছি একটি যৌথ বিমান প্যাট্রোল পরিচালনা করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমন্বিত স্টাফ অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে রাশিয়া ও চীনের সাতটি বিমান দক্ষিণ কোরিয়ার বায়ু প্রতিরক্ষা সনাক্তকরণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এই বিমানগুলির মধ্যে যোদ্ধা বিমান ও বোমারু বিমান ছিল। দক্ষিণ কোরিয়া তার যোদ্ধা বিমান প্রেরণ করেছে যাতে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা হলে তারা প্রস্তুত থাকে।
রাশিয়া ও চীনের বিমানগুলি এক ঘণ্টার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার বায়ু প্রতিরক্ষা অঞ্চলে উড়েছে। এরপর তারা চলে যায়। জাপানও তার সামরিক বিমান প্রেরণ করেছে যাতে তারা তাদের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে পারে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জানিয়েছেন, রাশিয়ার দুটি পারমাণবিক বোমারু বিমান জাপান সাগর থেকে ত্সুশিমা প্রণালীর দিকে উড়েছে। সেখানে তারা দুটি চীনা বিমানের সাথে মিলিত হয়েছে। এই বিমানগুলি জাপানের চারপাশে একটি যৌথ উড়ান পরিচালনা করেছে।
কোইজুমি বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের এই যৌথ উড়ান জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের কারণ। তিনি বলেছেন, এই ধরনের যৌথ উড়ান জাপানের চারপাশে কার্যকলাপ বৃদ্ধি ও তীব্রতা বাড়াচ্ছে।
এই ঘটনাটি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। রাশিয়া ও চীনের এই যৌথ উড়ান এই অঞ্চলে একটি নতুন ধরনের সামরিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তাদের সামরিক বাহিনীকে সতর্ক করেছে। তারা তাদের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে। এই ঘটনাটি এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার ফলে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। রাশিয়া ও চীনের এই যৌথ উড়ান এই অঞ্চলে একটি নতুন ধরনের সামরিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তাদের সামরিক বাহিনীকে সতর্ক করেছে। তারা তাদের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে। এই ঘটনাটি এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার ফলে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। রাশিয়া ও চীনের এই যৌথ উড়ান এই অঞ্চলে একটি নতুন ধরনের সামরিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তাদের সামরিক বাহিনীকে সতর্ক করেছে। তারা তাদের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে। এই ঘটনাটি এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার ফলে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। রাশিয়া ও চীনের এই যৌথ উড়ান এই অঞ্চলে একটি নতুন ধরনের সামরিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
জাপান ও দক্ষ



