আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন ও বেশ কয়েকটি শীর্ষ ক্লাবে অর্থপাচারের অভিযোগে তদন্ত চালানো হয়েছে। এই তদন্তের অংশ হিসেবে আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের সদর দফতর ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, এই তদন্তের অংশ হিসেবে ২৫ থেকে ৩০টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। এসব স্থানের মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনের সদর দফতর, জাতীয় ফুটবল দলের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেশ কয়েকটি শীর্ষ ক্লাবের সদর দফতর।
এই তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু হলো সুর ফিনান্জাস নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি গত বছর আর্জেন্টিনার ফুটবল লীগ ও জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল স্পনসর ছিল। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ক্লাউডিও তাপিয়ার ঘনিষ্ঠ।
গত মাসে কর কর্তৃপক্ষ এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে, যেখানে বলা হয়েছে যে এই প্রতিষ্ঠানটি ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের সমতুল্য আর্জেন্টিনার মুদ্রায় কর এড়িয়ে গেছে। স্থানীয় মিডিয়া জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে যে এই প্রতিষ্ঠানটি কি ক্লাবগুলোকে অর্থ সাহায্য করার জন্য দলিল ব্যবহার করেছে কিনা।
এই তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে একজন বিচারক তদন্তাধীন ক্লাবগুলোর ব্যাংকিং গোপনীয়তা তুলে নিয়েছেন। রেসিং ক্লাব জানিয়েছে, তাদের সাথে সুর ফিনান্জাসের চুক্তি শুধুমাত্র একটি বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপ চুক্তি, যা ২০২৫ সালের শেষে শেষ হবে। ক্লাবটি আরও জানিয়েছে, সুর ফিনান্জাস তাদের কাছে অর্থ পাওনা।
অন্য একটি ক্লাব, বুয়েনোস আইরেস-ভিত্তিক আতলেতিকো এক্সকারশনিস্তাস, জানিয়েছে যে তাদের সাথে সুর ফিনান্জাসের কোনো আর্থিক সম্পর্ক নেই, শুধুমাত্র একটি সাধারণ স্পনসরশিপ চুক্তি আছে।
এই ঘটনাটি ঘটেছে আর্জেন্টিনার ফুটবল দল বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার ঠিক আগে। এই ঘটনাটি আর্জেন্টিনার ফুটবল বিশ্বে একটি বড় ধাক্কা দিতে পারে।
আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন ও ক্লাবগুলোতে অর্থপাচারের তদন্ত চলছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও অজানা। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনাটি আর্জেন্টিনার ফুটবল বিশ্বে একটি বড় প্রভাব ফেলবে।
আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন ও ক্লাবগুলোতে অর্থপাচারের তদন্ত চলছে। এই তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি ক্লাবের সদর দফতর ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনাটি আর্জেন্টিনার ফুটবল বিশ্বে একটি বড় ধাক্কা দিতে পারে।
আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন ও ক্লাবগুলোতে অর্থপাচারের তদন্ত চলছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও অজানা। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনাটি আর্জেন্টিনার ফুটবল বিশ্বে একটি বড় প্রভাব ফেলবে। আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন ও ক্লাবগুলোকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হবে কিনা তা এখনও অজানা।



