লেনি রিফেনস্টাল, হিটলারের প্রিয় প্রচারণাবিদ, নিয়ে আরেকটি তথ্যচিত্র প্রয়োজন কিনা তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন। ২০২৫ সালে এই তথ্যচিত্রটি কেন প্রয়োজন তার উত্তর হল, এই তথ্যচিত্রের নির্মাতারা রিফেনস্টালের ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় অ্যাক্সেস পেয়েছেন, যা অন্য কোনো তথ্যচিত্রের নির্মাতাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।
রিফেনস্টাল ২০০৩ সালে ১০১ বছর বয়সে মারা যান, কিন্তু তার সংগ্রহশালা তখনও তার অংশীদার হর্স্ট কেটনারের কাছে ছিল। ২০১৬ সালে কেটনারের মৃত্যুর পর, রিফেনস্টালের সংগ্রহশালা প্রুশিয়ান কালচারাল হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের কাছে চলে যায়। এরপর, প্রযোজক সান্দ্রা মাইশবার্গার এই সংগ্রহশালার সাথে একটি চুক্তি করেন, যেখানে তিনি এবং তার দল এই সংগ্রহশালার সমস্ত উপাদান পর্যালোচনা করবেন এবং একটি তথ্যচিত্র তৈরি করবেন।
এই তথ্যচিত্রের পরিচালক আন্দ্রেস ভাইল এই প্রকল্পে যোগ দেন এবং রিফেনস্টালের সংগ্রহশালার উপাদানগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি দেখতে পান যে রিফেনস্টাল তার উত্তরাধিকার পরিচালনা করার জন্য এই উপাদানগুলি সংকলন করেছিলেন, কিন্তু তিনি সত্যটি লুকিয়ে রাখতে পারেননি।
রিফেনস্টালের জীবন এবং কর্মজীবন নিয়ে এই তথ্যচিত্রটি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে। এটি তার জীবনের অনেক অজানা দিক উন্মোচন করে এবং তার উত্তরাধিকার সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি নতুন আলোকপাত করে।
এই তথ্যচিত্রটি রিফেনস্টালের জীবন এবং কর্মজীবন সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এটি তার জীবনের অনেক অজানা দিক উন্মোচন করে এবং তার উত্তরাধিকার সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি নতুন আলোকপাত করে।
এই তথ্যচিত্রটি দেখার পর, আমরা রিফেনস্টালের জীবন এবং কর্মজীবন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারব। এটি তার জীবনের অনেক অজানা দিক উন্মোচন করে এবং তার উত্তরাধিকার সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি নতুন আলোকপাত করে।
এই তথ্যচিত্রটি রিফেনস্টালের জীবন এবং কর্মজীবন সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এটি তার জীবনের অনেক অজানা দিক উন্মোচন করে এবং তার উত্তরাধিকার সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য একটি নতুন আলোকপাত করে।



