নেপালের নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে, গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রথম নির্বাচনে ১১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। এই দলগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন দলও রয়েছে।
নেপালের নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ৩ কোটি মানুষের দেশটিতে ২০২৬ সালের ৫ মার্চের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার তাদের নাম নিবন্ধন করেছেন।
নেপালের নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করেছে যে, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কর্মকর্তারা একটি ‘স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ’ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অনুমোদিত ১১৪টি দলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নতুন। যার মধ্যে গত ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর আলোড়ন সৃষ্টিকারী দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণ কর্মীদের নিবন্ধিত দলও রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সেই আন্দোলনের সূচনা করলেও, অর্থনৈতিক সংকট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ আন্দোলনকে উসকে দেয়।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, নেপালের কর্মশক্তির প্রায় ৮২ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত, আর ২০২৪ সালে মাথাপিছু জিডিপি ছিল ১ হাজার ৪৪৭ মার্কিন ডলার।
প্রাথমিকভাবে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয় ২৮ বছরের নিচের তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত ‘জেন জি’ প্রজন্ম। আন্দোলন দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং পার্লামেন্ট ও সরকারি কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। যার ফলে একপর্যায়ে সরকারের পতন ঘটে। সহিংসতায় কমপক্ষে ৭৩ জন নিহত হয়।
নেপালের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে যে, নির্বাচন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
নেপালের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল নেপালের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
নেপালের জনগণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলি তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করছে।
নেপালের নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল নেপালের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।



