বাংলাদেশের শ্রমবাজারে অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের সংখ্যা ৮৫ শতাংশ। এদের মধ্যে অধিকাংশ শ্রমিকই স্বীকৃতির বাইরে রয়েছে। চা শ্রমিক, মৎস্যজীবী বা গৃহশ্রমিকদের অবদান ছাড়া অর্থনীতি অচল।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অর্থনীতিবিদরা প্রায়ই শুধু আনুষ্ঠানিক খাত দেখেন, অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অবদান বিবেচনায় নেন না।
শ্রমিকদের নিয়ে কথা বললেই বঞ্চনার চিত্র সামনে আসে। তারা যে পরিমাণ পরিশ্রম করেন, তার বিনিময়ে প্রাপ্যটুকু পান না। নারী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা শুধু তাঁদের স্বার্থে নয়, জাতীয় উন্নয়নের জন্যও জরুরি।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি শ্রম সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় নারী শ্রমিকদের উপস্থিতি জরুরি। অক্সফাম ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আশীষ দামলে নারীদের সংগঠিত হওয়ার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে চা বাগান, মৎস্য ও গৃহশ্রমসহ বিভিন্ন খাতের নারী শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে ‘ন্যাশনাল নন-ইউনিয়নাইজড উইমেন ওয়ার্কার্স ফোরাম’ গঠনের ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের স্বার্থে কাজ করা জরুরি। এটি না করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোকে অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের জন্য কাজ করতে হবে। তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে এবং দেশ উন্নতি লাভ করবে।
অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে নীতি পরিবর্তন করতে হবে। তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে এবং দেশ উন্নতি লাভ করবে।
অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সমাজকেও কাজ করতে হবে। তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে এবং দেশ উন্নতি লাভ করবে।
অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে এবং দেশ উন্নতি লাভ করবে।
অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আরও অনেক কাজ করতে হবে। তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে এবং দেশ উন্নতি লাভ করবে।
অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে এবং দেশ উন্নতি লাভ করবে।
অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আরও অনেক কাজ করতে হবে। তাদের স্বার্থে কাজ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এটি করলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধ



