বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং ইতালীয় বহুজাতিক কোম্পানি লিওনার্দো এস.পি.এ. একটি অভিপ্রায় পত্র (এলওআই) সাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে, লিওনার্দো এস.পি.এ. বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান সরবরাহ করবে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, ইতালীয় রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা এবং ইতালির প্রতিনিধিরা এই চুক্তি সাক্ষরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তার সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই যুদ্ধবিমানগুলি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।
ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমানগুলি বিশ্বের সেরা যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে একটি। এগুলি তীব্র গতি এবং উচ্চ ক্ষমতার জন্য পরিচিত। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এই যুদ্ধবিমানগুলি কেনার মাধ্যমে তার সামরিক ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে।
বাংলাদেশ এবং ইতালির মধ্যে এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার মাধ্যমে তার সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধবিমানগুলি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এবং ইতালির মধ্যে এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান বলেছেন, ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমানগুলি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধবিমানগুলি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো বলেছেন, বাংলাদেশ এবং ইতালির মধ্যে এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার মাধ্যমে তার সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধবিমানগুলি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।



