বরগুনায় এক খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, দুপুরে সাংবাদিক ও ক্যামেরা পারসন সংবাদের প্রয়োজনে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে তার বক্তব্য সংগ্রহ করতে যান।
তখন খাদ্য কর্মকর্তা সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকার করেন এবং ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের ‘চাঁদাবাজ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আপনারা সাংবাদিকরা চাঁদাবাজ, একদম স্পষ্ট বললাম। আমার কাছে যতজন আসছে, নাইনটি পারসেন্ট চাঁদাবাজ, ক্যামেরার সামনে বলে দিলাম।
এ সময় সেখানে যে সাংবাদিক সাক্ষাৎকার নিতে গিয়েছিলেন এবং ক্যামেরা পারসন ছিলেন, তাদের একজন প্রশ্ন করেন, আমরা কি আপনার কাছে চাঁদা চেয়েছি? তখন খাদ্য কর্মকর্তা হাত দিয়ে ক্যামেরা সরানোর কথা বলেন এবং বলতে থাকেন, আপনারা তো করেন নাই। আমি তো বলি নাই, আপনি চাঁদাবাজি করেন। ক্যামেরা সরান।
সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এ কে এম শহিদুল হকের মোবাইলে বিকালে বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তিনি তা ধরেন। তাকে ঘটনা সম্পর্কে জানালে তিনি প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য ৩০ মিনিট সময় নেন। তবে ৩০ মিনিট পর আবার তার মোবাইলে ফোন করা তিনি আর ধরেননি।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা খাদ্য কর্মকর্তার এই মন্তব্যকে সাংবাদিকতার প্রতি অসম্মান বলে মনে করছেন। এই ঘটনার পর খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন সাংবাদিকরা।
এই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যেও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা খাদ্য কর্মকর্তার এই মন্তব্যকে অনুচিত বলে মনে করছেন। এই ঘটনার পর খাদ্য কর্মকর্তাকে তিরস্কার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে আত্মসম্মানের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা জানতে চাইছেন, খাদ্য কর্মকর্তার এই মন্তব্যের জন্য তাকে দায়ী করা হবে কিনা। এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে সংগঠিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
এই ঘটনায় সরকারকে দায়ী করা হয়েছে। সাংবাদিকরা জানতে চাইছেন, সরকার খাদ্য কর্মকর্তার এই মন্তব্যের জন্য কী ব্যবস্থা নেবে। এই ঘটনার পর সরকারের প্রতি সাংবাদিকদের আস্থা হ্রাস পেয়েছে।
এই ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে একটি বার্তা পাঠানো হয়েছে। তারা জানতে চাইছেন, সাংবাদিকরা তাদের কাজ করতে পারবেন কিনা। এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে ভবিষ্যতের বিষয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।



