20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশ সীমান্ত ইস্যুতে বক্তব্য

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশ সীমান্ত ইস্যুতে বক্তব্য

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি আচরণের বিষয়ে তার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে যা করা হচ্ছে তা ‘বাড়াবাড়ি’।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহারে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে। তিনি রাজ্য পুলিশকে বলবেন, ভয় পাবেন না, একটু সক্রিয় হোন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোচবিহার একটি সীমান্ত জেলা। সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে হবে। কোনো বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবে না। কেউ বাংলা বললেই সে বাংলাদেশি হয়ে যায় না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, উত্তর প্রদেশের অনেকে উর্দু বলেন। পাকিস্তানিরাও উর্দু বলেন। পাকিস্তানেও একটি পাঞ্জাব আছে। ভারতেও পাঞ্জাব আছে। দুই পাশের বাসিন্দারা পাঞ্জাবি বলেন। বাংলার বাসিন্দাদের হয়রানি করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অন্য কোনো রাজ্যের কোনো সংস্থা যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ না করে পশ্চিমবঙ্গে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না। যদি কারও নাম অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়, তবে তার তদন্ত করা উচিত।

ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধনের সময় সব বিভাগকে বুথ স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেন এবং জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেন যেন নাম সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। অনেক নাম সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না।

রাজ্যের উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে কলকাতায় মমতা লোকসভায় ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনার সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়কে ‘বঙ্কিমদা’ হিসেবে উল্লেখ করায় বিজেপির কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা যা মনে করেন, তা-ই করেন। আগেও রাজ্যসভায় ঘোষণা করা হয়েছিল, “জয় হিন্দ”, “বন্দে মাতরম” চলবে না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শুনলাম তারা নেতাজি, গান্ধীজি, রামমোহনকে পছন্দ করেন না। আপনারা দেশের ইতিহাস জানেন? তারা বাংলার অবদান সম্পর্কে জানে?

এই ঘটনার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। এই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশ সরকারও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা ভারত সরকারের কাছে এই বিষয়ে আলোচনা করতে চায়।

এই ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

এই ঘটনার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে দ

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments