20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিখুলনায় নির্বাচন প্রচার-প্রচারণা গতিশীল

খুলনায় নির্বাচন প্রচার-প্রচারণা গতিশীল

খুলনা জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রচার-প্রচারণা ততই বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে কুয়াশার চাদর ভেদ করে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা ভোটারদের মন জয় করতে প্রচার-প্রচারণায় বেরিয়ে পড়ছেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এই প্রচার-প্রচারণা। নানান ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুই দলই চেষ্টা করছে দলটির সমর্থক ও ভোটারদের কাছে টানতে। তবে এবারের নির্বাচন বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভাজন বিপাকে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনীতি সচেতনরা।

খুলনা-২ আসনে বিএনপি জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কুদরতই-আমির এজাজ খানকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনি ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছিলেন। এ আসনটিতে ১৯৯৬ সালে শেষবার জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী দিয়েছিল। কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী করে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

সাধারণ ভোটাররা জানান, এর আগে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আমির এজাজ খান তিন বার নির্বাচন করেছেন। সংখ্যালঘু অধ্যুসিত এ আসনটিতে তিনি বিএনপিকে জনপ্রিয় করেছেন। এছাড়া তিনি এই আসনের বাসিন্দা। প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম, ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগের ভোট তার ব্যালটেই পড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

অন্য প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আবু সাঈদ ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষে দাকোপ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর কুমার রায়ও জোরেশোরে প্রচার চালাচ্ছেন। খুলনা-২ আসনে বিএনপি জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কুদরতই-আমির এজাজ খান ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

খুলনা-২ আসন (সদর-সোনাডাঙ্গা) খুলনা সিটি করপোরেশনের ১৬ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড অর্থাৎ নগরীর সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা নিয়ে গঠিত। খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে এই আসনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিএনপির দুর্গ হিসেবে এই আসনটি খ্যাত। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কোনো নির্বাচনেই এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হারেনি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের পর থেকে আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী দেয়নি।

তবে এবার জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী করেছে দলের মহানগর সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইনকে। খুলনা জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রচার-প্রচারণা ততই বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে কুয়াশার চাদর ভেদ করে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা ভোটারদের মন জয় করতে প্রচার-প্রচারণায় বেরিয়ে পড়ছেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এই প্রচার-প্রচারণা। নানান ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুই দলই চেষ্টা করছে দলটির সমর্থক ও ভোটারদের কাছে টানতে। তবে এবারের নির্বাচন বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভাজন বিপাকে ফেলতে পারে বলে মনে কর

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments