দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, বায়ুদূষণ রোধে বর্জ্য ও পাতা পোড়ানো বন্ধ করতে হবে এবং সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
মাউশির এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ময়লা-আবর্জনা, গাছের লতাপাতা এবং বায়োমাস উন্মুক্তভাবে না পোড়ানো হবে। এছাড়াও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সৃষ্ট জৈব আবর্জনা, গাছের লাতাপাতা এবং বায়োমাস না পুড়িয়ে নির্দিষ্ট স্থানে গর্তের মধ্যে সংরক্ষণ করে জৈব সার বা কম্পোস্ট তৈরি করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ, মাঠ, খোলা জায়গায় নিয়মিত পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ ঘাস বা গাছপালা লাগিয়ে আবৃত রাখতে হবে। বায়ুদূষণের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
এছাড়াও, প্লাস্টিক বর্জ্যগুলোকে জৈব বর্জ্য বা বায়োমাসের সঙ্গে না মিশিয়ে উৎসে পৃথককরণ করে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বিধি-৬ মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলের সহায়তা করতে হবে। আমরা সকলকে এই নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানাই এবং বায়ুদূষণ মুক্ত পরিবেশ গঠনে সহায়তা করতে আহ্বান জানাই।
আপনি কীভাবে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবেন? আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আমরা সকলের সহায়তা করতে পারি। আমরা আমাদের পরিবেশকে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখতে পারি। আমরা বায়ুদূষণ মুক্ত পরিবেশ গঠনে সহায়তা করতে পারি।



