ইউনেস্কো তাঁত শিল্পকে অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ২০তম আন্তঃসরকার কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ষষ্ঠ পৃথক নিবন্ধন এবং গত চার বছরে দ্বিতীয় নিবন্ধন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। তাঁত শিল্পের অনন্য শিল্পকর্ম বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশের ইউনেস্কোতে স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা বলেছেন, বাংলাদেশের অনেক অমূল্য সাংস্কৃতিক উপাদান রয়েছে যা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রবিবার এই সভার উদ্বোধন করেন। ইউনেস্কোর নতুন মহাপরিচালক খালেদ এল এনানি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাংলাদেশের তাঁত শিল্প বিশ্বব্যাপী পরিচিত। দেশটির অর্থনীতিতে এই শিল্পের অবদান অনেক বেশি। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের তাঁত শিল্পকে আরও বেগবান করবে।
বাংলাদেশের সরকার তাঁত শিল্পের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকার এই শিল্পের প্রচার ও বিকাশের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বাংলাদেশের তাঁত শিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি দেবে। এটি দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের তাঁত শিল্প এখন আরও বেশি সম্মানিত ও গৌরবান্বিত হবে।
বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতির জন্য খুবই আনন্দিত। এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক বড় অংশ। বাংলাদেশের তাঁত শিল্প এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে।
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বাংলাদেশের তাঁত শিল্পকে আরও উন্নত করবে। এটি দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের তাঁত শিল্প এখন আরও বেশি সম্মানিত ও গৌরবান্বিত হবে।



