সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্টারনেটে বয়স যাচাইকরণ আইন কঠোর হচ্ছে। ফ্রিডম হাউস সংস্থার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট স্বাধীনতা ১৫তম বছর ধরে কমছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই হ্রাস সবচেয়ে বেশি।
বয়স যাচাইকরণ আইনগুলো শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত হয়েছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলস্বরূপ, আইনপ্রণেতারা বয়স-ভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন।
গত দুই বছরে, ২৫টি রাজ্য বয়স যাচাইকরণ আইন পাস করেছে। এই আইনগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে বাধ্য করে। এছাড়াও, ১৬টি রাজ্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে বয়স-ভিত্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
এই আইনগুলো ইন্টারনেট স্বাধীনতার উপর প্রভাব ফেলবে। এগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসবে। ফলস্বরূপ, ব্যবহারকারীরা তাদের অনলাইন কার্যকলাপের উপর আরো সচেতন হবেন।
এই আইনগুলো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। তাদের ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ফলস্বরূপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো আরো নিরাপদ হবে।
এই আইনগুলো ভবিষ্যতে ইন্টারনেট স্বাধীনতার উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসবে। ফলস্বরূপ, ব্যবহারকারীরা তাদের অনলাইন কার্যকলাপের উপর আরো সচেতন হবেন।
ফ্রিডম হাউস সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ইন্টারনেট স্বাধীনতা বিশ্বব্যাপী কমছে। এই হ্রাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি। বয়স যাচাইকরণ আইনগুলো এই হ্রাসের একটি প্রধান কারণ।
এই আইনগুলো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। তাদের ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ফলস্বরূপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো আরো নিরাপদ হবে।
ভবিষ্যতে, এই আইনগুলো ইন্টারনেট স্বাধীনতার উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসবে। ফলস্বরূপ, ব্যবহারকারীরা তাদের অনলাইন কার্যকলাপের উপর আরো সচেতন হবেন।



