জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সরকারের সংস্কারবিষয়ক ওয়েবসাইটে এই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এছাড়াও, আগে ও পরে গঠিত মোট ১১টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনও একই ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। প্রথম ছয়টি কমিশনের কার্যক্রম শেষের দিকে এলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান প্রফেসর আলী রীয়াজকে সহ-সভাপতি করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর পর রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা চলে। এর ধারাবাহিকতায় ৩১ জুলাই চূড়ান্ত করা হয় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫, যা পরে ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত হয়।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান) আদেশ’ জারি করেছে। এই আদেশের মাধ্যমে সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে সরকার তার সংস্কারবিষয়ক প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রয়াস পাচ্ছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে সরকার রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে সরকার তার সংস্কারবিষয়ক প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রয়াস পাচ্ছে এবং রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে।



