তানজানিয়ায় স্বাধীনতা দিবসের সাথে মিলে পরিকল্পিত বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও সামরিক বাহিনী দেশের প্রধান শহরগুলিতে টহল দিচ্ছে। মধ্যাহ্নের মধ্যে, কোনো বিক্ষোভ শুরু হয়নি।
দার এস সালাম, আরুশা, ম্বেয়া, মোয়ানজা সহ বেশ কয়েকটি শহরে বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে দিনটি অস্বাভাবিকভাবে ধীর গতিতে শুরু হয়েছে। অনেকেই বিক্ষোভ হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ঘরেই থেকেছেন। বিক্ষোভগুলি রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিতে করা হয়েছে, যা গত অক্টোবরের নির্বাচন-পরবর্তী অস্থিরতার পরে হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে তারা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ করেছে, দাবি করেছে যে কিছু গোষ্ঠী সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করছে। পুলিশের একজন মুখপাত্র জনগণকে নিশ্চিত করেছেন যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং তাদের নিরাপত্তা ও সম্পত্তি রক্ষা করা হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে কর্মী ও প্রচারকরা সমর্থকদের সতর্ক থাকতে বলেছেন, বলেছেন যে বিক্ষোভ সম্ভবত বিকেলে শুরু হবে। এটি তানজানিয়ায় আগের বিক্ষোভের আহ্বানের অনুরূপ, যেখানে দিনের শেষের দিকে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাহিনী প্রধান সড়ক ও সংযোগস্থলে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে, যখন অফিসাররা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অবকাঠামোর আশেপাশে অবস্থান নিয়েছেন। সরকার উচ্চতর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা পরিকল্পিত বিক্ষোভ সম্পর্কে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।
তানজানিয়ার কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে এবং স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন বাতিল করেছে। এই পরিস্থিতি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তানজানিয়ার রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই ঘটনার প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হবে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
তানজানিয়ায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির সমাধান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।



