আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২তে একজন মূল সাক্ষী হাসনাত আবদুল্লাহ তার জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ডিজিএফআই কর্মকর্তারা তাকে এবং অন্য দুইজন ছাত্রনেতাকে নিপীড়ন ও নির্যাতন করেছেন। তাদেরকে বাধ্য করা হয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাহার করতে।
হাসনাত আবদুল্লাহ এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। তিনি বলেছেন, গত বছরের ১৭ই জুলাই তাকে ও সরজিস আলমকে একজন আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদেরকে স্টেট গেস্ট হাউস পদ্মায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেখানে তখনকার তিনজন মন্ত্রী আনিসুল হক, মোহাম্মদ আ আরাফাত ও মোহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এসেছিলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ডিজিএফআই কর্মকর্তারা তাদেরকে বলেছিলেন যে তারা তখনকার মন্ত্রীদের সাথে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু তারা অন্য ছাত্র সমন্বয়কদের সাথে আলোচনা না করে এটা করতে অস্বীকার করেছিলেন। এরপর ডিজিএফআই কর্মকর্তারা তাদেরকে মাছ্য ভবনের কাছে একটি গোপন আটক কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং সারারাত জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, একজন ডিজিএফআই কর্মকর্তা তাদেরকে হুমকি দিয়েছিলেন যে তারা যেমন বিএনপির ২৮শে অক্টোবরের র্যালিকে ১০ মিনিটের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারে, তেমনি তাদের আন্দোলনকেও একইভাবে দমন করতে পারে।
এই ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার তাদের দমন করার চেষ্টা করছে।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক সংকট দেশকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পৌঁছেছে। সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট একটি জটিল সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।



