তামাক খাত থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব পায়, তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ তার দ্বিগুণের বেশি। এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছর তামাকজনিত এই ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা।
গবেষণার তথ্যানুযায়ী, তামাকের কারণে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা। আর পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই গবেষণা পরিচালনা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট ও ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ।
গবেষণায় দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকা দোকানগুলোর প্রতি ১০টির মধ্যে ৭টিতেই তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন রয়েছে। আর প্রতি ১০টি দোকানের ২টিতে তামাক পণ্যের প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো হয়।
তরুণদের মধ্যে তামাক পণ্যের আকর্ষণ ও সহজলভ্যতা কমাতে বিক্রয়কেন্দ্রে বিজ্ঞাপন প্রচার, ফ্লেভারড সিগারেট এবং খুচরা শলাকা বিক্রি নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনে।
তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি কমাতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ করা এবং তামাক ব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
তামাকের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে আমাদের সকলকে একত্রিত হতে হবে। তামাক ব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। আসুন আমরা সবাই তামাকের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে কাজ করি।
তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি কমাতে আমাদের কী করা উচিত? তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ করা এবং তামাক ব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা কি যথেষ্ট হবে? আমাদের কী করা উচিত তামাকের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে?



