বাংলাদেশের অর্থনীতি গত কয়েক মাসে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে পেলেও এখন একটি সংকটপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি, আর্থিক খাতের দুর্বলতা, কম বিনিয়োগ, শাসনের অভাব এবং বাইরের ঝুঁকি প্রধান হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
এই দুর্বলতা মোকাবেলা না করলে দেশটি ধীর বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান হ্রাস এবং দারিদ্র্য বৃদ্ধির ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। সরকারের একটি নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা ২০২৫ প্রতিবেদনটি প্লানিং কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশন (জিইডি) দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ এখনও খুব কম এবং আগামী মাসগুলিতে এই পর্যায়ে থাকবে। বিনিয়োগ ও শিল্প কার্যক্রম ধীর বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
তবে, প্রতিবেদনটি আশাবাদী যে বাংলাদেশের পুনরুদ্ধার করার, আরও স্থিতিশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার এবং বৃদ্ধি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার একটি সুযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদনটি আরও বলছে, সংস্কারের গতি ও গুরুত্ব, স্পষ্ট যোগাযোগ, নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিশ্চিত করা যে সংস্কারগুলি সাধারণ মানুষের উপকার করে, শুধু মোট অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান নয়।
জিইডি বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধার হয়েছে। তবে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, শিল্প উৎপাদন হ্রাস, স্থায়ী মুদ্রাস্ফীতি এবং বৈশ্বিক বাতাস, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত পারস্পরিক শুল্কের চাপ রয়েছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার মধ্যে বিশ্বব্যাংকও রয়েছে, এখন ২০২৫ অর্থবছরের জন্য ৩.৩ শতাংশ থেকে ৪.১ শতাংশের মধ্যে বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছে।
অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দিতে গিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংস্কারের গতি ও গুরুত্ব অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সরকারকে অবশ্যই দুর্বলতা মোকাবেলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, অর্থনীতি ধীর বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান হ্রাস এবং দারিদ্র্য বৃদ্ধির ঝুঁকির সম্মুখীন হবে।
অতএব, সরকারকে অবশ্যই অর্থনৈতিক সংস্কারে গুরুত্ব দিতে হবে এবং সাধারণ মানুষের উপকার করার জন্য কাজ করতে হবে।
এই প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে। এটি সরকারকে অর্থনৈতিক সংস্কারে গুরুত্ব দিতে এবং সাধারণ মানুষের উপকার করার জন্য কাজ করার আহ্বান জানায়।
অর্থনীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী হওয়া যায়। কিন্তু, এর জন্য সরকারকে অবশ্যই দুর্বলতা মোকাবেলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অন্যথায়, অর্থনীতি ধীর বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান হ্রাস এবং দারিদ্র্য বৃদ্ধির ঝুঁকির সম্মুখীন হবে।
এই প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে। এটি সরকারকে অর্থনৈতিক সংস্কারে গুরুত্ব দিতে



