আবু হায়দার তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেছেন। তিনি ১২৭ বলে ১৪১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। তার ইনিংসে ১৩টি ছক্কা এবং ১০টি চার ছিল।
আবু হায়দার তার দল ময়মনসিংহ বিভাগের হয়ে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে খেলছিলেন। তার দল জয়ের জন্য শেষ ইনিংসে ৪২৮ রান তাড়ায় ১০১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায়। আট নম্বরে ক্রিজে গিয়ে পাল্টা আক্রমণে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন আবু হায়দার।
তৃতীয় দিন শেষে তিনি অপরাজিত রয়ে যান ৯ ছক্কায় ৮৯ বলে ৯৭ রান করে। ক্রিজে তার সঙ্গী ছিলেন শেষ ব্যাটসম্যান আসাদুল্লাহ হিল গালিব।
শেষ দিনে মঙ্গলবার প্রথম বলেই চার মেরে তিন অঙ্কে পৌঁছে যান আবু হায়দার। পরের বলটিও পাঠিয়ে দেন বাউন্ডারিতে। ময়মনসিংহের এই শেষ জুটি রাজশাহীকে যন্ত্রণা দেয় আরও কিছু সময়।
নিহাদউজ্জামানকে ছক্কা মারেন আবু হায়দার, আব্দুর রহিমকে ছক্কায় উড়িয়ে দেন তিন দফায়। তার সেই রোমাঞ্চকর অভিযান শেষ হয় সঙ্গী আউট হয়ে যাওয়ায়। সানজামুল ইসলামকে ছক্কায় ওড়ানোর চেষ্টায় লং অনে ধরা পড়েন গালিব।
শেষ উইকেটে ৮৯ রানের জুটিতে গালিবের অবদান মাত্র ৯। ১৩ ছক্কায় ১৪১ রানে অপরাজিত রয়ে যান আবু হায়দার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এর চেয়ে বেশি ছক্কা মারতে পেরেছেন আর কেবল দুজন ক্রিকেটার।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কার বিশ্বরেকর্ড ভারতের। আবু হায়দারের এই ইনিংস বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে রয়ে যাবে।
আবু হায়দারের এই অপরাজিত ইনিংস তার দলকে জয় দিতে পারেনি, তবে তার এই ইনিংস বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের মনে দাগ কেটেছে। আবু হায়দারের এই ইনিংস প্রমাণ করে যে তিনি একজন প্রতিভাবান ক্রিকেটার।



