বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম পরবর্তী দশকে বিশ্ব তুলা বাণিজ্যে নেতৃত্ব দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। এশিয়ায় তুলা চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই দুই দেশের কারখানাগুলো তুলা ব্যবহার বাড়াবে।
অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব তুলা বাণিজ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ১.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে এবং ১২.৩ মিলিয়ন টনে পৌঁছাবে।
বাংলাদেশ ২০৩৪ সালের মধ্যে বিশ্বের ১৮ শতাংশ কাঁচা তুলা আমদানি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশটি বার্ষিক ২.৪ শতাংশ হারে তুলা আমদানি বাড়াবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের কাঁচা তুলা ব্যবহার ১.২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে, যা মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে তুলা চাহিদা বৃদ্ধির কারণে হবে।
এশিয়া কাঁচা তুলা প্রক্রিয়াকরণের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে থাকবে, যেখানে ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও ভারতে কাঁচা তুলা প্রক্রিয়াকরণ বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান প্রত্যেকে বিশ্বের মোট তুলা ব্যবহারের ৮ শতাংশ ব্যবহার করবে।
চীন ধীরে ধীরে তুলা প্রক্রিয়াকরণে তার আধিপত্য হারাবে, কিন্তু ২০৩৪ সালের মধ্যে এটি বিশ্বের বৃহত্তম তুলা প্রক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে থাকবে।
চীন ২০৩৪ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ এবং ভারত ২২ শতাংশ তুলা ব্যবহার করবে।
২০১০ সাল থেকে চীনের তুলা মিল খরচ বৃদ্ধি এবং শ্রম ও পরিবেশগত নিয়ম কঠোর হওয়ার কারণে তুলা প্রক্রিয়াকরণ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।
২০১৪ সালে সরকারি সমর্থন মূল্য ব্যবস্থা বাতিল করার পর এই পতন আরও বেড়েছে।
এটি অন্যান্য এশিয়ান দেশগুলোতে, বিশেষ করে ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশে তুলা প্রক্রিয়াকরণের দিকে পরিচালিত করেছে।
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের তুলা শিল্পের উত্থান বিশ্ব তুলা বাণিজ্যের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে।
এই দুই দেশের তুলা মিলগুলো বিশ্বব্যাপী তুলা চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে, যা বিশ্ব তুলা বাণিজ্যের ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক লক্ষণ।
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের তুলা শিল্পের বৃদ্ধি বিশ্ব অর্থনীতিতেও একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
এই দুই দেশের তুলা মিলগুলো বিশ্বব্যাপী তুলা চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



