ছোট চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে পরিচয় একটি বড় বিষয়। এই বছরের পুরস্কার মৌসুমের পঞ্চটি ছোট চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি হলো আমারেলা, যার অর্থ পর্তুগিজ ভাষায় “হলুদ”। এই ছোট চলচ্চিত্রটি পরিচালক আন্দ্রে হায়াতো সাইতোর তৃতীয় ছোট চলচ্চিত্র, যা তার জাপানি বংশধরতাকে অন্বেষণ করে। ছোট চলচ্চিত্রটি একজন জাপানি-ব্রাজিলীয় কিশোরী এরিকা ওগুইহারার গল্প বলে, যে জাতিগত সংবেদনশীলতা এবং পারিবারিক প্রত্যাশার চাপের মধ্যে নিজেকে খুঁজে পায়।
ছোট চলচ্চিত্রটি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের পটভূমিতে নির্মিত। এতে মেলিসা উহেরা এরিকা ওগুইহারার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। পরিচালক সাইতো বলেছেন, ছোট চলচ্চিত্রটির ক্রুতে বেশিরভাগই এশীয়-ব্রাজিলীয় ছিল, তাই সেটে একে অপরকে দেখা খুবই সুন্দর লাগছিল। তারা নিজেদের গল্প নিজেরা বলছিল, যা আগে সাদা লোকেরা বলত।
আরেকটি ছোট চলচ্চিত্র হলো আলিস, যা পরিচালক গ্যাব্রিয়েল নোভিস তৈরি করেছেন। ছোট চলচ্চিত্রটি একজন ব্রাজিলীয় নারীর গল্প বলে, যে তার বাবার মৃত্যুর পর তার ট্রান্স পরিচয় খুঁজে পায় এবং সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ করে। পরিচালক নোভিস বলেছেন, আলিসের অবস্থান বেশ ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ ব্রাজিল একটি বিপজ্জনক দেশ। কিন্তু মানুষকে বাঁচতে হয়, আর এটাই ছোট চলচ্চিত্রটির মূল বিষয়।
আমাল নামের আরেকটি ছোট চলচ্চিত্র আছে, যা পরিচালক ইরোস ঝাও তৈরি করেছেন। ছোট চলচ্চিত্রটি দুইজন পিয়ানোবাদক, ফিলিস্তিনি বিশারা হারোনি এবং ইজরায়েলি ইয়ারোন কোহলবার্গের বন্ধুত্ব এবং সঙ্গীতের সহযোগিতা নিয়ে। তারা দুজনেই ডুও আমাল নামের একটি দলের অংশ, যার অর্থ আরবি ভাষায় “আশা”।
এই ছোট চলচ্চিত্রগুলো আমাদেরকে বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। তারা আমাদেরকে বুঝতে সাহায্য করে যে পরিচয় একটি ব্যক্তির জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
এই ছোট চলচ্চিত্রগুলো দেখার পর, আমরা বুঝতে পারি যে পরিচয় একটি ব্যক্তির জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তারা আমাদেরকে বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। আমরা এই ছোট চলচ্চিত্রগুলোকে দেখার সুযোগ পেলে, আমাদের উচিত তাদের দেখা এবং শিক্ষা নেওয়া।
ছোট চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে পরিচয় একটি বড় বিষয়। এই ছোট চলচ্চিত্রগুলো আমাদেরকে বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। তারা আমাদেরকে বুঝতে সাহায্য করে যে পরিচয় একটি ব্যক্তির জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা এই ছোট চলচ্চিত্রগুলোকে দেখার সুযোগ পেলে, আমাদের উচিত তাদের দেখা এবং শিক্ষা নেওয়া। তারা আমাদেরকে বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। ছোট চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে পরিচয় একটি বড় বিষয়, এবং আমরা এই ছোট চলচ্চিত্রগুলোকে দেখার সুযোগ পেলে, আমাদের উচিত তাদের দেখা এবং শিক্ষা নেওয়া।
এই ছোট চলচ্চিত্রগুলো দেখার পর, আমরা বুঝতে পারি



