গুগল ক্রোমের নতুন সুবিধা হলো এজেন্টিক ফিচার, যা ব্যবহারকারীর পক্ষে কাজ করতে পারে। এই সুবিধা ব্যবহারকারীদের জন্য উপকারী হলেও, এর সাথে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। গুগল এই ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে।
গুগল ক্রোমের এজেন্টিক ফিচারগুলো ব্যবহারকারীর পক্ষে কাজ করতে পারে, যেমন টিকিট কেনা বা অনলাইন শপিং করা। কিন্তু এই সুবিধাগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, যেমন তথ্য চুরি বা অর্থ হারানো। গুগল এই ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে, যেমন অবজারভার মডেল এবং ব্যবহারকারীর সম্মতি।
গুগল একটি ইউজার অ্যালাইনমেন্ট ক্রিটিক মডেল তৈরি করেছে, যা এজেন্টিক ক্রিয়াকলাপগুলো পর্যবেক্ষণ করে। এই মডেলটি এজেন্টিক ক্রিয়াকলাপগুলো ব্যবহারকারীর লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা পরীক্ষা করে। যদি এই মডেলটি মনে করে যে এজেন্টিক ক্রিয়াকলাপগুলো ব্যবহারকারীর লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাহলে এটি এজেন্টিক মডেলকে পুনরায় কাজ করতে বলে।
গুগল এছাড়াও এজেন্ট অরিজিন সেটস ব্যবহার করে, যা এজেন্টিক মডেলকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটগুলোতে অ্যাক্সেস দেয়। এই ব্যবস্থাটি এজেন্টিক মডেলকে অনুমতি ছাড়া ওয়েবসাইটগুলোতে অ্যাক্সেস দেয় না।
গুগল এই ব্যবস্থাগুলো ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। এই ব্যবস্থাগুলো ব্যবহার করে, গুগল ক্রোম ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারে।
গুগল ক্রোমের এজেন্টিক ফিচারগুলো ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করতে পারে। এই ফিচারগুলো ব্যবহার করে, ব্যবহারকারীরা তাদের কাজগুলো সহজে এবং দ্রুত করতে পারবে। এছাড়াও, এই ফিচারগুলো ব্যবহার করে, ব্যবহারকারীরা তাদের সময় বাঁচাতে পারবে এবং তাদের কাজগুলো আরও সহজে করতে পারবে।
গুগল ক্রোমের এজেন্টিক ফিচারগুলো একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। এই ফিচারগুলো ব্যবহার করে, ব্যবহারকারীরা তাদের কাজগুলো আরও সহজে এবং দ্রুত করতে পারবে। এছাড়াও, এই ফিচারগুলো ব্যবহার করে, ব্যবহারকারীরা তাদের সময় বাঁচাতে পারবে এবং তাদের কাজগুলো আরও সহজে করতে পারবে।



