ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় বাংলাদেশি একজন যুবক জীবিত ফেরার পর তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। গত মাসে ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর তিনি জীবিত ফেরেন।
গোপালগঞ্জের মকসুদপুর উপজেলার পূর্ব লখন্দা গ্রামের আশিক মিনা (২৮) লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার জন্য একটি নৌকায় চড়েছিলেন। তিনি ১৯ অক্টোবর বাড়ি ছেড়েছিলেন। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর তিনি একটি ব্রোকারের সাথে একটি চুক্তি করেন।
১৫ই নভেম্বর তারা লিবিয়ার উপকূল থেকে সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন। তাদের নৌকায় ৭৫ জন ছিল, যাদের মধ্যে ৫ জন মিশরীয় এবং বাকিরা বাংলাদেশি ছিল। রাত ৮টা ৩০ মিনিটে তাদের নৌকা যাত্রা শুরু করে। এক ঘণ্টা পরে তারা লিবিয়ান কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ দেখতে পান। তাদের বলা হয়েছিল যে ব্রোকাররা কোস্ট গার্ডের সাথে গোপন চুক্তি করেছেন, যার ফলে অবৈধ অভিবাসী নৌকাগুলিকে যাত্রা করতে দেওয়া হয়।
কিন্তু সেদিন তারা ভাগ্যবান ছিলেন না। কোস্ট গার্ড তাদের উপর গুলি চালায়। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই কোস্ট গার্ডের জাহাজটি তাদের নৌকার সাথে ধাক্কা লাগিয়ে দেয়, যার ফলে নৌকাটি তত্ক্ষণাত ডুবে যায়। সবাই সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করে।
আশিক মিনা একটি লাইফ জ্যাকেট পরে সমুদ্রে ভেসে বেঁচে ছিলেন। আধা ঘণ্টা পরে কোস্ট গার্ড তাকে উদ্ধার করে। তার একটি হাত এবং একটি পা ভাঙ্গে যায়। তাকে লিবিয়ায় আইওএম-এর তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১৯ দিন চিকিৎসা গ্রহণের পর তার পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। তারপর আইওএম কর্মকর্তারা তাকে নিরাপদে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। অবশেষে ৫ই ডিসেম্বর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন।
সমুদ্রে ভেসে থাকাকালীন তিনি ভাবতেন যে তিনি আর কখনো তার মায়ের মুখমণ্ডল দেখতে পাবেন না।
এই ঘটনাটি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে যে অভিবাসন একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা। বাংলাদেশি অভিবাসীরা ইউরোপে যাওয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিচ্ছেন। এই ঘটনাটি আমাদের চিন্তা করতে বাধ্য করে যে কীভাবে আমরা এই সমস্যাটি সমাধান করতে পারি।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার অভিবাসীদের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
এই ঘটনাটি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে যে অভিবাসন একটি জটিল সমস্যা। এটি সমাধান করার জন্য আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের অভিবাসীদের সহায়তা করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সাথে কাজ করছে।
এই ঘটনাটি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে যে অভিবাসন একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা। এটি সমাধান করার জন্য আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের অভিবাসীদের সহায়তা করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশ সর



