জামায়াতে ইসলামী আমীর শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এবং দুর্নীতি দূর করতে কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য একটি জাতীয় সরকার গঠন করা প্রয়োজন।
তিনি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে জয়ী হলে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে। এই সরকারে যোগদানকারীদের থেকে তারা দুটি শর্ত আশা করবে – কেউ দুর্নীতি করবে না, আর কেউ দুর্নীতির প্রতি শিথিলতা দেখাবে না। এছাড়াও, সকলের জন্য সমান বিচার নিশ্চিত করা হবে।
জামায়াতে ইসলামী নেতা বলেছেন, তারা সকল রাজনৈতিক দলের সাথে একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে ইচ্ছুক। এমনকি যদি তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেও, তারা একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।
জামায়াতে ইসলামী আমীর বলেছেন, তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের বলেছেন, যদি তারা নির্বাচনে জয়ী হয়, তাহলে তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। তারা কোনো দলকে বাদ দেবে না।
জামায়াতে ইসলামী নেতা বলেছেন, তারা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে না। তিনি বলেছেন, যারা নির্বাচনের সময় ধর্মীয় অনুশীলন বাড়িয়ে দেয়, তারা আসলে ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে।
জামায়াতে ইসলামী আমীর বলেছেন, নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। তিনি বলেছেন, নির্বাচন স্থগিত করা দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে।
জামায়াতে ইসলামীর এই ঘোষণা রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এটি দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করতে পারে।
জামায়াতে ইসলামীর এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। তারা বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক সমস্যাগুলি সমাধানে সাহায্য করতে পারে।
জামায়াতে ইসলামীর এই ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছেন। তারা বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



