দক্ষিণ বাংলাদেশ থেকে দেশের অন্যান্য অংশে প্রচুর পরিমাণে মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে। এই মাছ সরবরাহের ক্ষেত্রে মাঝারিদের উপর নির্ভর করা হচ্ছে না। বরং মাছ চাষিরা সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করছেন। একটি গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাছ চাষিরা নিলাম-ভিত্তিক বাজারে মাছ বিক্রি করছেন। এই বাজারে মাছের দাম স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়। ফলে মাছ চাষিরা নিশ্চিত হন যে তারা সবচেয়ে ভালো দাম পাচ্ছেন। এই বাজারে বিক্রেতাদের সংখ্যা বাড়ছে। এটি মাছ চাষিরা সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করার প্রবণতাকে উৎসাহিত করছে।
এই গবেষণাটি ২০২০ সালে পরিচালিত হয়েছিল। এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাছ চাষিরা সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছে। এই গবেষণাটি বাংলাদেশের মাছ চাষের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মাছ চাষের ক্ষেত্রে নারীরা খুব কমই জড়িত। তবে এই ক্ষেত্রে পুরুষ ও যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, ৮৯ শতাংশ মাছ চাষি সরাসরি নিলাম-ভিত্তিক বাজারে মাছ বিক্রি করছেন। অন্যদিকে, মাত্র ৭ শতাংশ মাছ চাষি গ্রামের মাঝারিদের কাছে মাছ বিক্রি করছেন।
মাছ চাষের ক্ষেত্রে পরিবহন, যোগাযোগ, আইস ও প্যাকেজিং ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। ফলে মাছের ক্ষতি ও অপচয় অনেক কমে গেছে। মাছ চাষিরা এখন সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করার ক্ষেত্রে অনেক সচেতন। এটি মাছ চাষের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক প্রবণতা।
মাছ চাষের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের প্রবণতা খুবই আশাবাদী। মাছ চাষিরা সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছে। এটি মাছ চাষের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাছ চাষের ক্ষেত্রে নারীরা খুব কমই জড়িত। তবে এই ক্ষেত্রে পুরুষ ও যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।
মাছ চাষের ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার মাছ চাষিরা সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করতে পারে। এটি মাছ চাষের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাছ চাষের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের প্রবণতা খুবই আশাবাদী। মাছ চাষিরা সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রি করার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছে।



