নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি অটোরিকশা ও বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও চারজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অটোরিকশার চালকও রয়েছেন।
এই দুর্ঘটনাটি মাইজদী-চৌমুহনী আঞ্চলিক সড়কের একলাশপুর এলাকায় ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রগুলি জানিয়েছে যে অটোরিকশাটি জেলা শহরের দিকে যাচ্ছিল, যাতে কয়েকজন যাত্রী ছিলেন। একলাশপুর এলাকায় পৌঁছানোর সময়, অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং একটি বাসের পিছনে ধাক্কা দেয়।
এই দুর্ঘটনায় পাঁচজন গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে একজন পরে মারা যান। মৃত ব্যক্তির নাম ধন রঞ্জন দে, যিনি ৫৫ বছর বয়সী ছিলেন এবং চৌমুহনী পৌরসভার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
নোয়াখালীতে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, যা জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। পুলিশ ও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে। এই ঘটনার পর থেকে, নোয়াখালীতে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা আরও সচেতন হয়েছে এবং পুলিশ ও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করছে।
এই ঘটনার পর, নোয়াখালীতে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা আরও সচেতন হয়েছে এবং পুলিশ ও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
এই ঘটনার পর, নোয়াখালীতে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা আরও সচেতন হয়েছে এবং পুলিশ ও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
এই ঘটনার পর, নোয়াখালীতে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা আরও সচেতন হয়েছে এবং পুলিশ ও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।



