বেইজিংয়ের একটি আদালত মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সকে বিমান এমএইচ৩৭০ এর যাত্রীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই বিমানটি প্রায় এক দশক আগে নিখোঁজ হয়েছিল। চাওয়াং জেলার জনগণের আদালত বলেছে যে ৪৭টি অন্যান্য মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে, কারণ পরিবারগুলি আদালতের বাইরে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স এবং এর আন্তর্জাতিক শাখা মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ইন্টারন্যাশনালের সাথে সমাধান করেছে।
আদালত বলেছে যে ক্ষতিপূরণ শুক্রবার রায় দেওয়া হয়েছিল, যা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার খরচ, মানসিক যন্ত্রণা এবং অন্যান্য ক্ষতির জন্য দেওয়া হবে। প্রতিটি পরিবার ২.৯ মিলিয়ন ইউয়ান (৩২০,০০০ পাউন্ড) পাবে। বোয়িং ৭৭৭ বিমানটি ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে ৮ই মার্চ ২০১৪ সালে কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল, কিন্তু রাডার স্ক্রীন থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল।
বিমানটি খুঁজে পেতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনুসন্ধান অভিযান পরিচালিত হলেও, এখনও পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ ছিল চীনা, অন্যদের মধ্যে ছিল মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস এবং ফ্রান্সের নাগরিক। মূল ৭৮টি মামলার মধ্যে ২৩টি এখনও বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বলেছে যে যাত্রীদের পরিবারগুলি এখনও মৃত্যু ঘোষণা করতে পারেনি বা মৃত্যু ঘোষণার প্রক্রিয়া শেষ করেনি।
আদালতের ঘোষণার কয়েকদিন পরেই মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে বিমানটির সন্ধান অভিযান ডিসেম্বরের শেষের দিকে আবার শুরু হবে। এই সিদ্ধান্তটি চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিমানের যাত্রীদের পরিবারের দ্বারা স্বাগত জানানো হয়েছে।
এই ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং বিমান নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিমানটির সন্ধান অভিযান এখনও চলছে, এবং বিমানের যাত্রীদের পরিবারগুলি এখনও সত্য জানতে চাইছে। এই ঘটনাটি বিশ্বকে সতর্ক করেছে যে বিমান নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি নিশ্চিত করা উচিত যে বিমানগুলি নিরাপদে উড়ছে।
বিমান এমএইচ৩৭০ নিখোঁজের ঘটনাটি একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা এবং এটি বিশ্বকে একত্রিত করেছে। বিমানের যাত্রীদের পরিবারগুলি এখনও সত্য জানতে চাইছে, এবং বিশ্বব্যাপী সম্প্রদায় তাদের সাহায্য করার জন্য একসাথে আছে। এই ঘটনাটি বিশ্বকে শিক্ষা দিয়েছে যে বিমান নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি নিশ্চিত করা উচিত যে বিমানগুলি নিরাপদে উড়ছে।



