বর্তমান আমন মৌসুমের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে কোনো রকম অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না, কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আমন সংগ্রহ ও খাদ্যশস্য মজুদ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, কোনো কৃষক ধান বিক্রির জন্য নিয়ে আসলে তাকে ফেরত দেওয়া যাবে না। শুধু ধানের আদ্রতার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। কোনো গুদামে বস্তাবন্দি পঁচা চাল পাওয়া গেলে এটা মেনে নেওয়া হবে না।
বর্তমান সরকার পরবর্তী সরকারের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে কাজগুলোকে কমফোর্টেবল রেখে যাবে। এ ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা কিন্তু খুব দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চেষ্টা করবো।
মতবিনিময় সভায় দেবিদ্বার উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ এলএসডির রাস্তার জটিলতা নিয়ে আলোচনা হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সড়ক বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের জন্য উপদেষ্টা জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবির বলেন, ইতোমধ্যে মিলারদের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সবকিছুই মনিটরিং করা হচ্ছে। অনিয়ম করে পার পাওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা মোতাবেক আমন সংগ্রহ অভিযান সফল করার অনুরোধ জানান তিনি।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলার সকল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



