ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জমির রবিবার এক সামরিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গাজায় হলুদ রেখা নামে যে সীমারেখা বরাবর ইসরায়েলি বাহিনী পিছু হটেছে, সেটি এখন গাজা উপত্যকাকে ফিলিস্তিনিদের বাকি অধিকৃত ভূখণ্ড থেকে আলাদা করা এক নতুন সীমান্ত হিসেবে কাজ করবে।
গাজায় অবস্থিত ইসরায়েলি সৈন্যদের সঙ্গে আলাপকালে জমির বলেন, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী গাজার বিশাল এলাকার ওপর কার্যত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং এই নিরাপত্তা রেখা বরাবর তাদের অবস্থান ধরে রাখারই ইচ্ছে রয়েছে।
জেনারেল ইয়াল জমির হলুদ রেখাটিকে একটি অগ্রবর্তী নিরাপদ বেষ্টনী এবং একই সঙ্গে চলমান সামরিক কার্যকলাপের একটি ক্ষেত্র হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘গাজা স্ট্রিপের বিস্তৃত অংশে আমাদের অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং আমরা সেই প্রতিরক্ষা রেখাগুলোতে থাকব। হলুদ রেখাটি একটি নতুন সীমান্তরেখা, যা আমাদের সম্প্রদায়গুলির জন্য একটি সামনের রক্ষণাত্মক রেখা এবং অপারেশনাল কার্যকলাপের একটি রেখা হিসাবে কাজ করছে।’
এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, দখলদার শক্তি এই রেখাটিকে পূর্বের চুক্তিতে সংজ্ঞায়িত একটি সাময়িক অবস্থান হিসেবে না দেখে এটিকে দীর্ঘমেয়াদি ভূখণ্ড দখল ও জাতিগত নির্মূলকরণের একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুসারে ইসরায়েলি বাহিনী এই সীমারেখার পেছনে অবস্থান করছে, যা কার্যত গাজাকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে।
সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, চিহ্নিতকরণের কাজটির মাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের আগের একটি প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছিল যে, গাজাকে দুই ভাগ করা এবং তথাকথিত সীমান্ত রেখাটিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনি নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন যে, ইসরায়েলি বাহিনীর এই পদক্ষেপ শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও বাধাগ্রস্ত করবে।
এদিকে, ইসরায়েলি সরকার জানিয়েছে যে, তারা গাজায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তারা আরও বলেছে যে, তারা ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে শান্তি আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই পরিস্থিতি মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি পক্ষকে শান্তি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। তারা আরও বলেছে যে, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বন্ধ করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি পক্ষকে শান্তি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। তারা আরও বলেছে যে, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বন্ধ করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।
এই পরিস্থিতি মধ্যে ফিলিস্তিনি জনগণ আশঙ্কিত। তারা বলেছে যে, ইসরায়েলি বাহিনীর এই পদক্ষেপ তাদের জীবনকে আরও কঠিন করে তুল



