লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামে সৌদি প্রবাসী মহসিন কবিরের লাশ দাফনের দুই মাস পর উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মহসিন কবির সৌদি আরবে অপহরণের শিকার হয়েছিলেন এবং পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
মহসিন কবিরের পরিবার তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না বলে সন্দেহ করেছিল। তারা ধারণা করেছিল যে তাকে পরিল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এরপর মহসিন কবিরের স্ত্রী রওশন আক্তার বাদী হয়ে মোরশেদ আলমসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাশ বলেছেন, মামলার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মৃত মহসিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ফের দাফন করা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মহসিন কবির ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর সৌদি আরব যান। সেখানে তার চাকরিদাতা মোরশেদ আলমের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে তার দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এরমধ্যেই চলতি বছরের ১৭ আগস্ট মহসিন সেখানে অপহরণের শিকার হন বলে দাবি পরিবারের। এরপর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ গিয়েছিল।
মহসিন কবিরের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার এবং স্থানীয় সমাজ শোকাহত। তারা ন্যায়বিচার চাইছেন এবং আশা করছেন যে দোষীরা শীঘ্রই বিচারের মুখোমুখি হবেন।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা আশা করছেন যে শীঘ্রই সত্য উদঘাটন হবে এবং দোষীরা শাস্তি পাবেন। মহসিন কবিরের পরিবার এবং স্থানীয় সমাজ এই ঘটনায় সহানুভূতিশীল এবং সমর্থনমূলক।
এই ঘটনায় সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। তাদের উচিত মহসিন কবিরের পরিবারকে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
মহসিন কবিরের মৃত্যু একটি দুঃখজনক ঘটনা। তার পরিবার এবং স্থানীয় সমাজ এই ঘটনায় শোকাহত। তারা ন্যায়বিচার চাইছেন এবং আশা করছেন যে দোষীরা শীঘ্রই বিচারের মুখোমুখি হবেন।



