সিরিয়ায় এক বছর আগের পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভিন্ন। তখন রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের নেতৃত্বে সরকারি বাহিনী যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল। কিন্তু একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইদলিব প্রদেশ থেকে বেরিয়ে এসে দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয়। এই গোষ্ঠীটির নেতা ছিলেন আবু মুহাম্মদ আল-জোলানি। তার আসল নাম আহমেদ আল-শারা।
বর্তমানে আহমেদ আল-শারা সিরিয়ার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। বাশার আল-আসাদ রাশিয়ায় নির্বাসনে বসবাস করছেন। সিরিয়া এখনও যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে পরিণত। দেশটির প্রতিটি শহর ও গ্রামে মানুষ ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনে বসবাস করছে। তবে নতুন সিরিয়ায় নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে।
আহমেদ আল-শারা বিদেশে তার কাজ সহজ পেয়েছেন। তিনি সৌদি আরব ও পশ্চিমা দেশগুলোকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে তিনি সিরিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য সর্বোত্তম বিকল্প। মে মাসে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স আল-শারা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে একটি সভা আয়োজন করেছিলেন। সভার পর ট্রাম্প আল-শারাকে ‘একজন তরুণ, আকর্ষণীয় ও কঠোর লোক’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
সিরিয়ায় ফিরে গেলে দেখা যায় যে আল-শারার ক্ষমতা সকল এলাকায় পৌঁছায় না। উত্তর-পূর্বে কুর্দিরা নিয়ন্ত্রণ করছে। দক্ষিণে সিরিয়ান দ্রুজরা আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য ইসরায়েলের সমর্থন চাইছে। উপকূলে আলাউইটরা আতঙ্কিত যে তারা আবার গণহত্যার শিকার হবে।
এক বছর আগে দামেস্কের নতুন শাসকরা সুন্নি ইসলামিস্ট ছিলেন। আল-শারা তাদের নেতা ছিলেন। তিনি ইরাকে আল-কায়েদার জন্য লড়াই করেছিলেন। পরে তিনি ইসলামিক স্টেটের একজন সিনিয়র কমান্ডার ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামিক স্টেট ও আল-কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।
সিরিয়ার ভবিষ্যত অনিশ্চিত। আল-শারা ও তার সরকারের উপর দেশটির স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে। সিরিয়ার মানুষ শান্তি ও স্থিতিশীলতার আশায় রয়েছে।
সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের নতুন নেতা হিসেবে আল-শারা দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি দেশটির স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ করছেন। তবে এই পথে তার সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
সিরিয়ার মানুষ আশা করছে যে নতুন সরকার দেশটিকে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। সিরিয়ার ভবিষ্যত এখনও অনিশ্চিত। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে সিরিয়ার মানুষ শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অপেক্ষা করছে।
সিরিয়ায় যুদ্ধের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। দেশটির অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। সিরিয়ার মানুষ এখন পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের প্রয়োজন।
সিরিয়ার নতুন সরকারের উপর দেশটির ভবিষ্যত নির্ভর করছে। সিরিয়ার মানুষ আশা করছে যে নতুন সরকার দেশটিকে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে।
সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। সিরিয়ার মানুষ এখন শান্তি ও স্থিতিশীলতার আশায় রয়েছে।
সিরিয়ার ভবিষ্যত অনিশ্চিত। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে সিরিয়ার মানুষ শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অপেক্ষা করছে।
সিরিয়ায় নতুন সরক



