আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের হাজিরা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই হাজিরার দিনে ট্রাইব্যুনাল চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান হাসিমুখে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন, অন্যদিকে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক বিষণ্ণ মুখে দেখা গেছে।
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে হত্যা-গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ বেশ কয়েকজনের হাজিরার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ, কাশিমপুরসহ বিভিন্ন কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তায় সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১৬ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাদের হাজতখানায় নেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে মামলার অগ্রগতি নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালে আনা আসামিরা হলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম, সাবেক এমপি সোলাইমান সেলিম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প-বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তবে অসুস্থ থাকার কারণে সাবেক এমপি ফারুক খানকে আনা হয়নি।
এর মধ্যে সালমান, আনিসুল, ইনু ও পলকের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা ফরমাল চার্জ দিয়েছে প্রসিকিউশন। ইনুর মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণও চলছে। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে জয়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে।
এই হাজিরার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। এই মামলার ফলাফল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ধারাকে নির্দেশ করবে।
এই মামলার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে। এই মামলার ফলাফল দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করবে। এই মামলার পরবর্তী ধাপগুলি দেশের রাজন



