যুক্তরাষ্ট্র ফ্যাক্ট-চেকার, কনটেন্ট মডারেটর, কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা এবং অনলাইন নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের ওপর, বিশেষ করে ভারতসহ কয়েকটি দেশের আবেদনকারীদের জন্য বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের একটি স্মারক নথি অনুযায়ী, সুরক্ষিত মতপ্রকাশের সেন্সরশিপ বা সেন্সরশিপের প্রচেষ্টায় জড়িত কিংবা তাদের সহযোগীদের ভিসা আবেদন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা সাংবাদিক ও পর্যটক ভিসাসহ সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।
ভিসার আবেদনকারীদের পেশাগত ইতিহাস, লিংকডইন প্রোফাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে তথ্য যাচাই, কনটেন্ট মডারেশন, ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি অথবা কমপ্লায়েন্স-সংশ্লিষ্ট কাজে ভিসার আবেদনকারীরা জড়িত ছিলেন কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।
এই নীতি অনলাইন নিরাপত্তায় যুক্ত পেশাজীবীদের নিশানা করে তৈরি করা হয়েছে। শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অনলাইন কনটেন্ট, ইহুদিবিরোধী বক্তব্য কিংবা ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট মোকাবিলায় কাজ করা ব্যক্তিরা এই নীতির আওতায় পড়বেন।
২০২৩ সালের অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট বাস্তবায়নকারী যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারাও নতুন বিধিনিষেধের আওতায় ভিসা সমস্যায় পড়তে পারেন। কারণ আইনটি সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির ওপর সাইবারফ্ল্যাশিং বা ক্ষতি সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে।
এই নীতির ফলে প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতসহ কয়েকটি দেশের আবেদনকারীরা ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই ভিসা নীতি বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি খাতের কর্মীদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এই নীতির ফলে প্রযুক্তি খাতের কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগ পাবেন না।



