সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কেমন ছিল। উত্তরে ৫২.২ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সেনাবাহিনীর ভূমিকা ভালো ছিল। আরও ১৭.১ শতাংশ মানুষ মনে করেন, খুবই ভালো ছিল সেনাবাহিনীর ভূমিকা। এভাবে মোট ৬৯.৩ শতাংশ মানুষ সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তুষ্ট।
জরিপে আরেকটি প্রশ্ন ছিল, গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা কেমন ছিল। উত্তরে ৫৮.৯ শতাংশ মানুষ বলেছেন, এ সময়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ভালো ছিল। আর ১৫.১ শতাংশ মানুষ মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় খুবই ভালো ছিল সেনাবাহিনীর ভূমিকা। দুইয়ে মিলে ৭৪ শতাংশ মানুষ সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তুষ্টির কথা বলেছেন।
তবে ২৩.২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ভালো ছিল না, খারাপও ছিল না। আর ৬.২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকা খারাপ ছিল। আর ১.৩ শতাংশ মানুষের মত হলো তখন সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল খুবই খারাপ।
জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষ সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ সেনাবাহিনীর ভূমিকা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জরিপের ফলাফল থেকে বোঝা যায়, সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, সেনাবাহিনীর ভূমিকা ভালো, আবার কেউ কেউ মনে করেন, খারাপ। তবে অধিকাংশ মানুষ সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে।
জরিপের ফলাফল থেকে বোঝা যায়, সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন মতামত রয়েছে। তবে অধিকাংশ মানুষ সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ সেনাবাহিনীর ভূমিকা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



